|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

জনবল সংকটে বন্ধ কুকুয়া ১০ শয্যা হাসপাতাল, বাড়ছে ভোগান্তি

0 শেয়ার
জনবল সংকটে বন্ধ কুকুয়া ১০ শয্যা হাসপাতাল, বাড়ছে ভোগান্তি
জনবল সংকটে বন্ধ কুকুয়া ১০ শয্যা হাসপাতাল, বাড়ছে ভোগান্তি
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • বরগুনার আমতলীতে কুকুয়া ১০ শয্যা হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকটে রয়েছে।
  • শুধুমাত্র একজন উপসহকারী চিকিৎসা কর্মকর্তা দিয়ে চলছে বহির্বিভাগের সেবা।
  • অন্তর্বিভাগ চালু না হওয়ায় স্থানীয়রা কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বরগুনার আমতলী উপজেলার কুকুয়া ১০ শয্যা বিশিষ্ট পল্লী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসকের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে অন্তর্বিভাগের চিকিৎসাসেবা বন্ধ রয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, বর্তমানে কেবল একজন উপসহকারী চিকিৎসা কর্মকর্তা দিয়ে খুঁড়িয়ে চলছে হাসপাতালটির কার্যক্রম। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাজারো মানুষ মানসম্মত ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

জনবল সংকটে ধুঁকছে বরগুনার কুকুয়া ১০ শয্যা হাসপাতাল, চরম ভোগান্তি

কুকুয়া ইউনিয়ন ও এর আশেপাশের এলাকাবাসীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই ১০ শয্যার এই চিকিৎসাকেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নানা অব্যবস্থাপনা এবং তীব্র চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী সংকটের কারণে হাসপাতালটির পূর্ণাঙ্গ সক্ষমতা কজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে না। বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ৩০ জন রোগী চিকিৎসা নিলেও সংকটের কারণে রাতের বেলা বা জরুরি মুহূর্তে এই কেন্দ্র কোনো কাজে আসছে না।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, হাসপাতালে কোনো চিকিৎসক না থাকায় সামান্য অসুস্থতা কিংবা জরুরি প্রয়োজনেও তাদের দূরের আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়। এতে একদিকে যেমন সময় ও যাতায়াত খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে রোগীদের জীবনঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। অন্তর্বিভাগ বন্ধ থাকায় গুরুতর রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও বর্তমান পরিস্থিতি

এ বিষয়ে বরগুনার সিভিল সার্জন এবং ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চিকিৎসক মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ জানান, হাসপাতালে দীর্ঘকাল ধরে একজনমাত্র উপসহকারী চিকিৎসা কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন,

হাসপাতালটিতে জনবল খুবই সংকট। আমি চেষ্টা করছি সেখানে স্থায়ীভাবে একজন চিকিৎসা কর্মকর্তা পদায়ন করার। একজন চিকিৎসা কর্মকর্তা সেখানে দিতে পারলে গ্রামীণ সাধারণ মানুষ আরও ভালোভাবে স্বাস্থ্যসেবা পাবেন বলে আমি আশাবাদী।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কেবল একজন চিকিৎসক নয়, বরং কুকুয়া ১০ শয্যা হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে নার্স, ওষুধ সরবরাহ এবং সহায়ক কর্মীসহ একটি পূর্ণাঙ্গ টিম অপরিহার্য। অন্যথায় ১০টি শয্যা থাকলেও তা সাধারণ মানুষের কোনো উপকারে আসবে না। দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করে হাসপাতালটির অন্তর্বিভাগ চালুর জোরালো দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনসাধারণ।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।