|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগ: উল্লাপাড়ায় বিএনপি নেতার দলীয় পদ ও কর্মকাণ্ড স্থগিত

0 শেয়ার
চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগ: উল্লাপাড়ায় বিএনপি নেতার দলীয় পদ ও কর্মকাণ্ড স্থগিত
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় চাঁদাবাজি এবং এক বিএনপি নেতাকে মারধরের অভিযোগে সাবেক উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. আজাদ হোসেনের দলীয় পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিত করা হয়েছে।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, মারধর এবং চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অভিযোগে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. আজাদ হোসেনের সকল দলীয় পদ এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বহাল থাকবে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিরোধী দলগুলো আত্মস্বীকৃত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত: রুহুল কবির রিজভী

শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় ব্যবস্থা

জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক জানান, আজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর কারণে এর আগে তাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তার দেওয়া লিখিত জবাব দলের কাছে সন্তোষজনক বলে বিবেচিত হয়নি।

এর পরিপ্রেক্ষিতেই সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর সরাসরি নির্দেশে আজাদ হোসেনের সকল পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

জোড়া মামলা এবং গ্রেপ্তার

আজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি দুটি সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়, যার জের ধরেই এই দলীয় ব্যবস্থা:

  • মারধরের অভিযোগ: গত ২৬ জুলাই উল্লাপাড়া থানা কম্পাউন্ডের ভেতরে এক বিএনপি নেতাকে মারধরের অভিযোগ এনে আজাদ হোসেন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম মিস্টার।

  • চাঁদাবাজির অভিযোগ: একই দিনে ৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে আলমগীর হোসেন নামের আরেক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করেন।

    বিজ্ঞাপন
    Advertisement

এই দুটি মামলার পর পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে আজাদ হোসেনসহ বিএনপির মোট ৬ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে এবং পরের দিনই জেলা বিএনপি তাকে শোকজ নোটিশ পাঠায়।

কে এই আজাদ হোসেন?

মো. আজাদ হোসেন উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সিরাজগঞ্জ-৪ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন, তবে শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন বঞ্চিত হন। বর্তমানে তিনি নিজেকে উল্লাপাড়া পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে এলাকায় নিজস্ব প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

দলের একজন প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে এমন কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ায় উল্লাপাড়ার স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Mohammad Sujan
Mohammad Sujanভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।