
হারারেতে অনুষ্ঠিত প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে নারী দলকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ নারী দল। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৯৭ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাত্র ১২.৫ ওভারেই ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। ক্যারিবীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শুরু থেকেই অসহায় ছিল স্বাগতিক ব্যাটাররা।
ম্যাচের শুরু থেকেই জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান ক্যারিবীয় বোলাররা। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে মাত্র ২৭ রান তুলতে পারে স্বাগতিকরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে একসময় ৪১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে তারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২১ রান করেন বেলোভড বিজ এবং মডেসটার মুপাচিকওয়া করেন ২০ রান। কিন্তু উইকেটে থিতু হয়েও কেউই দলের স্কোর বড় করতে পারেননি এবং রান তোলার গতি বাড়িয়ে নিতে ব্যর্থ হন।
ম্যাচ শেষে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে অধিনায়ক জোসেফিন এনকোমো বলেন, আমরা পাওয়ার প্লেতে ভালো করতে পারিনি এবং নিয়মিত উইকেট হারানোর ফলে বড় জুটি গড়া সম্ভব হয়নি। বোলাররা ভালো লড়াই করলেও আমাদের সংগ্রহ জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে সফল ছিলেন কারিশমা রামহ্যারাক। তিনি মাত্র ১৭ রান খরচ করে শিকার করেন গুরুত্বপূর্ণ ৩টি উইকেট। এছাড়া আফি ফ্লেচার ১৮ রানে ২টি এবং জহজারা ক্ল্যাকটন মাত্র ১০ রানের বিনিময়ে নেন ২টি উইকেট। চিনেল হেনরি চার ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে দারুণ কৃপণ বোলিং করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে এবোনি ব্রাইটওয়ার ১৪ বলে ২৩ রানের দ্রুতগতির ইনিংস খেলে দলের ভিত গড়ে দেন। পরে রিয়্যালেনা গ্রিমন্ডের ৩৪ এবং জহজারা ক্ল্যাকটনের অপরাজিত ৩১ রানের সুবাদে ৪৩ বল হাতে রেখেই সহজেই জয় নিশ্চিত করে সফরকারীরা।
এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আগামী ম্যাচগুলোতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাইবে তারা। অন্যদিকে সিরিজে সমতা ফেরাতে জিম্বাবুয়ে দলকে তাদের ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করতে হবে। উভয় দলের পরবর্তী ম্যাচটি হারারেতেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন
ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।