জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো তরুণের রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে গঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন
চরমোনাই পীর বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ে হাজারো উদীয়মান তরুণ নিহত হয়েছে, অনেকে অন্ধত্ব ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। তাদের রক্ত ও জীবনের বিনিময়ে এই নতুন সংসদ গঠিত হয়েছে। দেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল, এই সংসদে দেশ ও জাতির প্রকৃত সমস্যা এবং সংস্কার নিয়ে আলোচনা হবে। জাতির মুক্তির পথ রচিত হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সংসদে কেউ ওয়াশিং মেশিন চায়, আবার একদল আরেক দলের নিন্দাবাদ এবং ইতিহাসের খেরোপাতা উল্টাতে ব্যস্ত।
নিজ দলের নেতাকর্মীদের কাজের গতি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মানবরচিত আইনে কোনো দিন প্রকৃত শান্তি আসতে পারে না। বর্তমানে দেশে একমাত্র ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশই নীতি হিসেবে ইসলামের কথা বলে। তাই দলের কর্মীদের মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে দাওয়াত দিতে হবে।
এছাড়া পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আমেরিকা আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু হয় কী করে? কোন বিবেচনায় তাদের পরীক্ষিত বন্ধু বলা যায়? আমরা সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক চাই। তবে কেউ যদি আমাদের স্বাধীন দেশে আধিপত্য বিস্তার করতে আসে, তাহলে তা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে।
মন্তব্য করুন