|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

পাকিস্তানি নারীর প্রেমের ফাঁদে তথ্য পাচার, ভারতীয় নৌসেনা গ্রেপ্তার

0 শেয়ার
ভারতের তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুরের আইএনএস অগ্রণী নৌ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
ভারতের তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুরের আইএনএস অগ্রণী নৌ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
ছবি: ফাইল ছবি / রয়টার্স
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • প্রেমের ফাঁদে ফেলে ভারতীয় নৌসেনার কাছ থেকে স্পর্শকাতর তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে পাকিস্তানি নারী গোয়েন্দা।
  • তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুরের আইএনএস অগ্রণী থেকে প্রদীপ মুখার্জি নামের ওই সেনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
  • বিশাখাপত্তম নৌঘাঁটির তথ্য ফাঁসের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

ভারতের নৌবাহিনীর এক সেনাসদস্যকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে স্পর্শকাতর ও গোপনীয় তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক পাকিস্তানি নারী গোয়েন্দাকে তথ্য পাচারের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ভারতীয় নৌসেনাকে আটক করেছে পুলিশ। অন্ধপ্রদেশ পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট গত শনিবার তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুরের নৌ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আইএনএস অগ্রণী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়া ওই সেনাসদস্য ২০১৪ সাল থেকে ভারতীয় নৌবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন।

ব্রাজিল নির্বাচন: লুলার বিরুদ্ধে লড়ছেন বলসোনারো পুত্র ফ্লাভিও

সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানা যায়, অভিযুক্ত সেনার নাম প্রদীপ মুখার্জি। ৩১ বছর বয়সী প্রদীপের বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া বা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে। তিনি বিশাখাপত্তমভিত্তিক ইস্টার্ন নেভাল কমান্ডে একজন নাবিক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। ঘটনার মাত্র এক সপ্তাহ আগে তিনি কোয়েম্বাটুরের ওই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে একটি কোর্সে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তাকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে প্রদীপের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই পাকিস্তানি নারী গোয়েন্দা। ধীরে ধীরে বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং প্রেমের অভিনয় করে প্রদীপের কাছ থেকে বিশাখাপত্তম নৌঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, নৌবহর চলাচলের সময়সূচিসহ নানা গোপনীয় তথ্য হাতিয়ে নেয়।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

তদন্ত ও আর্থিক লেনদেনের খতিয়ান

ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে এই যোগাযোগের মাধ্যমে অনেক কৌশলগত তথ্য পাকিস্তানের ওই এজেন্টের হাতে পৌঁছেছে। তবে ঠিক কী পরিমাণ তথ্য পাচার হয়েছে এবং এর বিনিময়ে অভিযুক্ত সেনাসদস্য কোনো আর্থিক সুবিধা বা অর্থ নিয়েছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।

গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয় বা প্রেমের ফাঁদ পেতে সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের টার্গেট করার পুরোনো কৌশল এটি। এই ঘটনার পেছনে বড় কোনো আন্তর্জাতিক সাইবার বা গুপ্তচর চক্র জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে অভিযুক্ত নৌসেনাকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তার যোগাযোগের মাধ্যমগুলো ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা ভারতের সামরিক স্থাপনাগুলোতে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর নীতিমালা জারির প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা বিভাগ উচ্চপর্যায়ের তদন্ত পরিচালনা করছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।