|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

জনতা ব্যাংকের ৩০৪ কোটি টাকার ঋণ নিষ্পত্তি নিয়ে বিতর্ক

0 শেয়ার
জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলন
জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলন
ছবি: ফাইল ছবি / ঢাকা স্টোরি
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • জনতা ব্যাংকের ৩০৪ কোটি টাকার ঋণ ২০০৩ সালেই নিষ্পত্তি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে ইউএই শাখায় ঋণ অবলোপনের তথ্য উঠে এসেছে।
  • ব্যাংক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বক্তব্যে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে।

যুক্তরাজ্য বা অন্য কোনো দেশ নয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) জনতা ব্যাংক-এর প্রায় ৩০৪ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের বক্তব্যে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। রোববার (৪ অক্টোবর) জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মুহ. ফজলুর রহমান দাবি করেন, ঋণটি বহু পুরোনো এবং দীর্ঘ আইনি ও সালিসি প্রক্রিয়া শেষে ২০০৩ সালেই দুই দেশের সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সম্মতিতে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন প্রতিবেদনে ইউএইর চার শাখায় বড় অঙ্কের ঋণ অবলোপন ও হিসাবের গরমিলের তথ্য পাওয়া গেছে।

নিত্যপণ্য ও এলপি গ্যাসের বাজারে অভিযান : ১০২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

সংবাদ সম্মেলনে জনতা ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণমাধ্যমে প্রয়াত ইউএই প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের ছবি ব্যবহার করা হলেও প্রকৃত ঋণগ্রহীতা ছিলেন শেখ খলিফা বিন মোহাম্মদ আল নাহিয়ান। ব্যাংকের নথি অনুযায়ী, ১৯৮৯ সালের সালিসি আদালতের নির্দেশনা এবং দুই দেশের সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সম্মতির ভিত্তিতে ২০০৩ সালেই ওই ঋণের চূড়ান্ত দায় নিষ্পন্ন হয়। শেখ খলিফা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ফাইন্যান্স মরিস ও মেট্রোপলিটন এন্টারপ্রাইজের এই ঋণ দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত ছিল।

"ইউএই কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে কিছু তথ্যগত অসঙ্গতি রয়েছে। পাওনা আদায়ের চেষ্টা, কূটনৈতিক উদ্যোগ ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিধিবিধান মেনেই ঋণটি অবলোপন করা হয়েছে।" - মুহ. ফজলুর রহমান, চেয়ারম্যান, জনতা ব্যাংক

বিজ্ঞাপন
Advertisement

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদন ও হিসাবের গরমিল

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন প্রতিবেদনে ইউএইর চার শাখায় মোট ২০ কোটি ৫১ লাখ দিরহাম বা প্রায় ৪৩৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা ঋণ অবলোপনের তথ্য উঠে এসেছে। এর মধ্যে শেখ খলিফা-সংশ্লিষ্ট ঋণের পরিমাণ প্রায় ১৪ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার দিরহাম, যা প্রায় ৩০৪ কোটি টাকার সমপরিমাণ। প্রতিবেদনে আরও প্রায় ৬৪ কোটি টাকার একটি ঋণ ভুলক্রমে অবলোপনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া শারজাহ ও দুবাই শাখার বিভিন্ন হিসাবে গরমিল এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতার চিত্রও সামনে এসেছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণ এবং ব্যাংকের ২০০৩ সালের নিষ্পত্তির নথি যাচাইয়ের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এটি কেবল পুরোনো একটি নিষ্পত্তি হওয়া ঋণের ঘটনা নাকি এর সঙ্গে ইউএই কার্যক্রমের বৃহত্তর হিসাবের অসঙ্গতির যোগসূত্র রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যাংকের পক্ষ থেকে ল্যাপটপ কেনাকাটা ও কর্মী নিয়োগের বিষয়েও যথাযথ বিধিমালা অনুসরণের কথা জানানো হয়েছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।