|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

২১ হাজার ডলারে অ্যাপলের ভাঁজযোগ্য আইফোন কেন বিক্রি হচ্ছে

0 শেয়ার
ক্যাভিয়ারের তৈরি লিকুইড মেটাল সংস্করণের ভাঁজযোগ্য আইফোন ডুও
ক্যাভিয়ারের তৈরি লিকুইড মেটাল সংস্করণের ভাঁজযোগ্য আইফোন ডুও
ছবি: রয়টার্স
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • অ্যাপলের ভাঁজযোগ্য আইফোন ডুওর বিশেষ সংস্করণ বাজারে এনেছে বিলাসবহুল পণ্য নির্মাতা ক্যাভিয়ার।
  • স্টার্লিং সিলভার দিয়ে তৈরি এই লিকুইড মেটাল সংস্করণের সর্বোচ্চ দাম ২১ হাজার ৩৪০ ডলার।
  • বিশ্বজুড়ে মাত্র ১৭টি ইউনিট তৈরি করা হয়েছে এই বিশেষ ফোনের।

অ্যাপলের নতুন ভাঁজযোগ্য আইফোন ডুও বাজারে আসার পর থেকেই প্রযুক্তিপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ফোনটির আকাশচুম্বী দাম। যুক্তরাজ্যের বাজারে সাধারণ সংস্করণগুলোর দাম দুই হাজার ৬৪০ থেকে চার হাজার ১২৬ ডলারের মধ্যে থাকলেও, বিলাসবহুল পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্যাভিয়ার এই ফোনের একটি বিশেষ সংস্করণ বাজারে এনেছে যার দাম ২১ হাজার ৩৪০ ডলার পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। স্টার্লিং সিলভার এবং নান্দনিক ডিজাইনের কারণে এই ফোনটি প্রযুক্তি বিশ্বে ব্যাপক কৌতুহলের জন্ম দিয়েছে।

এআই ওভারভিউয়ের কবলে ব্লগ ও সংবাদ সাইট, কমছে কনটেন্ট রাইটারদের ট্রাফিক

যুক্তরাজ্যের বাজারে আইফোন ডুওর সর্বোচ্চ দাম তিন হাজার ১৯৯ পাউন্ড হলেও ক্যাভিয়ারের তৈরি এই বিশেষ সংস্করণের দাম ১৬ হাজার পাউন্ডের বেশি ছাড়িয়ে গেছে। মূলত অ্যাপলের মূল সংস্করণের তুলনায় এটি প্রায় ১০ গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। ক্যাভিয়ার জানিয়েছে, তাদের তৈরি এই বিশেষ সংস্করণের নাম দেওয়া হয়েছে লিকুইড মেটাল। ফোনটির বাইরের অংশে আয়নার মতো চকচকে পলিশ ব্যবহার করা হয়েছে, যা এর রূপকে এক অনন্য উচ্চতা দিয়েছে।

ক্যাভিয়ারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইফোন ডুও ভাঁজ খোলার সময় ফোনটির আকৃতিতে যে পরিবর্তন দেখা যায়, সেটিই এই বিশেষ সংস্করণের নকশার মূল অনুপ্রেরণা। প্রতিষ্ঠানটির মতে, ফোনটি ভাঁজ খোলা বা বন্ধ করার সময় এর পৃষ্ঠের নকশাতেও পরিবর্তনের অনুভূতি তৈরি হবে। এ বিষয়ে ক্যাভিয়ার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে,

আইফোন ডুওর ভাঁজযোগ্য কাঠামোকে একটি ধাতব ভাস্কর্যের মতো তুলে ধরা হয়েছে, যা এর কাঠামোতে প্রবহমান রেখার মাধ্যমে এক ধরনের গতিশীলতা তৈরি করে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

ধারণক্ষমতা ও ভিন্ন দামের বিন্যাস

লিকুইড মেটাল সংস্করণের মাত্র ১৭টি ইউনিট তৈরি করেছে ক্যাভিয়ার। ফোনগুলোর ধারণক্ষমতা অনুযায়ী দামেও ভিন্নতা রয়েছে। ২৫৬ জিবি সংস্করণের দাম ১৮ হাজার ৮৪০ ডলার, ৫১২ জিবি সংস্করণের দাম ১৯ হাজার ২০০ ডলার এবং ১ টেরাবাইট সংস্করণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ হাজার ৯১০ ডলার। অন্যদিকে, সবচেয়ে বেশি ধারণক্ষমতার ২ টেরাবাইট সংস্করণের দাম সর্বোচ্চ ২১ হাজার ৩৪০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। শুধু আইফোন ডুও নয়, অ্যাপলের আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সেরও বিলাসবহুল সংস্করণ বাজারে এনেছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

অ্যাপলের পণ্যের বিলাসবহুল সংস্করণ তৈরিতে ক্যাভিয়ারের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এর আগেও প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন হাই-এন্ড সংস্করণের আইফোন বাজারে এনে কোটিপতি গ্রাহকদের নজর কেড়েছে। প্রযুক্তি বাজারে এ ধরনের বিলাসবহুল ও কাস্টমাইজড সংস্করণের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তবে সাধারণ ব্যবহারকারীদের নাগালের বাইরে থাকা এই ধরনের বিশেষ সংস্করণগুলো মূলত প্রযুক্তি ও বিলাসিতার এক অনন্য মেলবন্ধন হিসেবেই বিবেচিত হয়ে আসছে।

আরও পড়ুন: আইফোনে গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি, দ্রুত হালনাগাদের পরামর্শ অ্যাপলের

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।