
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গ্যালাতাসারায়ের বিপক্ষে মঙ্গলবারের ম্যাচের জন্য নিজের পছন্দের একাদশ নিয়ে বড় ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছেন বার্সেলোনা কোচ হান্সি ফ্লিক। স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যুতে গেতাফের বিপক্ষে ৩-০ গোলের সহজ জয়ের ম্যাচে খেলোয়াড়দের ক্লান্তি দূর করতে তাদের খেলার সময় সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করেছেন এই জার্মান কোচ। স্পোর্ট সাময়িকীর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বার্সেলোনার জয়রথ বজায় রাখার পাশাপাশি দলের মূল একাদশের ফুটবলারদের তরতাজা রাখতেই এই কৌশল নিয়েছেন ফ্লিক।
গেতাফের বিপক্ষে ম্যাচে পাউ কুবারসি এবং জোয়াও কানসেলোকে বদলি হিসেবেও মাঠে নামাননি কোচ, যার ফলে তারা ইস্তাম্বুল ম্যাচের জন্য পুরোপুরি বিশ্রাম পেয়েছেন। স্পেনের হয়ে চারটি নেশন্স লিগ ম্যাচের মধ্যে তিনটিই খেলেছিলেন কুবারসি। অন্যদিকে, বার্সেলোনার ডিফেন্ডারদের মধ্যে পর্তুগালের জার্সিতে সর্বোচ্চ ৩০৬ মিনিট খেলেছেন কানসেলো। এই দুই ফুটবলারই গ্যালাতাসারায়ের বিপক্ষে পুনরায় শুরুর একাদশে ফিরবেন বলে জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
ফ্লিকের কৌশলগত বিশ্রাম এবং তরুণ ফুটবলারদের সঠিক ব্যবহার বার্সেলোনাকে ইউরোপিয়ান মঞ্চে বড় সাফল্যের পথে এগিয়ে নিচ্ছে।
মাঝমাঠে পেদ্রি ও ফেরমিন লোপেজকে বেঞ্চে রেখেই ম্যাচ শুরু করেছিল বার্সেলোনা। পেদ্রি প্রায় ত্রিশ মিনিট খেলার সুযোগ পান এবং রদ্রিকে বদলি হিসেবে নামান মার্ক বার্নাল। গ্যালাতাসারায়ের বিপক্ষে ম্যাচে পেদ্রি ও রদ্রি মাঝমাঠে জুটি বাঁধতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া আক্রমণভাগের সিদ্ধান্তগুলো কিছুটা জটিল হলেও করিম আদিয়েমির গতি এবং সতেজতা তুরস্কের ক্লাবটির রক্ষণভাগ ভাঙতে কার্যকর হতে পারে। তরুণ ল্যামিন ইয়ামাল চলতি মৌসুমে ক্লাব ও দেশের হয়ে প্রতিটি ম্যাচেই শুরুর একাদশে খেলে দলের প্রধান ভরসা হয়ে আছেন।
তুরস্কের মাঠের প্রতিকূল ও রোমাঞ্চকর পরিবেশ মোকাবিলায় বার্সেলোনার মিডফিল্ডের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি হবে। পেদ্রির মতো সতেজ খেলোয়াড়েরা মাঝমাঠের চাপ সামলাতে এবং ম্যাচকে অহেতুক বিশৃঙ্খল হতে বাধা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। এখন কোচ হান্সি ফ্লিকের আসল চ্যালেঞ্জ হলো সঠিক কম্বিনেশন বেছে নেওয়া, যা তাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জয়যাত্রা অব্যাহত রাখতে সাহায্য করবে।
মন্তব্য করুন
ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।