আদালতে সুমনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার পূর্ণিমা জাহান। তবে এই একটি মামলায় জামিন পেলেও এখনই কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি।
জানা গেছে, সুমনের বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ঘটনায় আরও ৪টি মামলার জামিন শুনানি অপেক্ষায় রয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর খিলগাঁও ও আদাবর থানায় দায়ের করা দুটি পৃথক হত্যা মামলার জামিন রুল বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারাধীন।
মামলার প্রেক্ষাপট মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের নতুন ব্রিজ গোলচত্বর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছিলেন ছাত্র-জনতা। অভিযোগ রয়েছে, ওইদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় এবং গুলি বর্ষণ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়।
এই ঘটনার জেরে একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে চুনারুঘাট থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক ব্যক্তি। ওই মামলায় ব্যারিস্টার সুমনসহ ৯৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।
উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, গত ২১ অক্টোবর দিবাগত রাত দেড়টায় রাজধানীর মিরপুর-৬ এলাকা থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
মন্তব্য করুন