|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে শহীদ রিকশাচালক ইসমাইলের স্ত্রীর জবানবন্দি

0 শেয়ার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ভবন এবং বিচারিক কার্যক্রমের ফাইল ছবি।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ভবন এবং বিচারিক কার্যক্রমের ফাইল ছবি।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রামপুরায় নিহত রিকশাচালক ইসমাইলের স্ত্রী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন।
  • স্বামীর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার পথে পুলিশ ও বিজিবির হয়রানির বর্ণনা দেন তিনি।
  • আগামী ২৮ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শহীদ রিকশাচালক ইসমাইলের স্ত্রী লাকি বেগম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ তিনি এই জবানবন্দি পেশ করেন এবং স্বামী হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। ট্রাইব্যুনাল এই মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৮ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা এই শুনানিতে অংশ নেন।

আয়াসের জামিন শুনানিতে বিচারকের সামনেই আইনজীবীদের হাতাহাতি

ঘটনার পটভূমি তুলে ধরে লাকি বেগম জানান, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে অটোরিকশা চালানোর উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তার স্বামী ইসমাইল। পরবর্তীতে মাগরিবের আজানের সময় স্থানীয় এক যুবকের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে ডেলটা কেয়ার হাসপাতালের সামনে তার স্বামী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। এই সংবাদ পাওয়ার পর তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা শোকেূহন হয়ে পড়েন। কিছুক্ষণের মধ্যেই এক প্রতিবেশী রিকশাভ্যানে করে ইসমাইলের রক্তাক্ত মরদেহ তাদের বাসায় নিয়ে আসেন।

মাথার খুলি ছিন্নভিন্ন ও মগজ বেরিয়ে যাওয়া অবস্থায় স্বামীর মরদেহ বাসায় আনা হয়। অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায় গ্রামের বাড়িতে মরদেহ নিতে গিয়ে পুলিশ ও বিজিবির বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল।

পুলিশ ও বিজিবির হয়রানি এবং আইনি লড়াই

বিজ্ঞাপন
Advertisement

জবানবন্দিতে লাকি বেগম উল্লেখ করেন, স্বামীর মরদেহে ব্যান্ডেজ করার জন্য তাকে বেটার লাইফ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায় মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়া দুরূহ হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে তার দেবর বাড়ি থেকে আরেকটি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আসার পর তারা স্বজনদের নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। তবে পথিমধ্যে বিভিন্ন চেকপোস্টে পুলিশ ও বিজিবি তাদের অ্যাম্বুলেন্স আটকে হয়রানি করে। বাধ্য হয়ে ইসমাইল সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন বলে মিথ্যা বলার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের যাওয়ার অনুমতি দেয়।

পরবর্তীতে ২০ জুলাই গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে ইসমাইলের মরদেহ দাফন করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে তিনি জানতে পারেন যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতেই তার স্বামী প্রাণ হারিয়েছেন। জবানবন্দি দেওয়ার সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং আদালতে রক্ষিত দালিলিক প্রমাণ ও আলোকচিত্র দেখে স্বামীর গুলিবিদ্ধ দেহ শনাক্ত করেন। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর বিচার দাবি করে তিনি ট্রাইব্যুনালের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেছেন।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।