|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

তালা ভেঙে চুয়েট প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করলেন নতুন উপাচার্য

0 শেয়ার
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ক্যাম্পাস
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ক্যাম্পাস
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • আন্দোলনের মুখে ২১ দিন পর চুয়েট প্রশাসনিক ভবনের তালা ভাঙলেন নতুন উপাচার্য।
  • সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।
  • শিক্ষক ও কর্মচারীদের একাংশের কর্মবিরতিতে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আন্দোলনের ২১ দিনের মাথায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেছেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে তিনি রাউজানে চুয়েট ক্যাম্পাসে গিয়ে প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করেন এবং পরে উপাচার্যের কার্যালয়ে যান। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্দোলন এবং শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জনের মুখে এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে।

চবি শিক্ষক ওয়াহেদ চৌধুরীর বরখাস্তের প্রতিবাদে বার্লিনে সমাবেশ

উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চুয়েটে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের মূল দাবি, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল করতে হবে। এই দাবিতে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। একই দাবিকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একাংশও কর্মবিরতি পালন শুরু করেন, যার ফলে সামগ্রিক একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়।

নতুন উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলমের নিয়োগের পর থেকেই তার ক্যাম্পাসে উপস্থিতি নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। এর মধ্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী এবং কর্মবিরতিতে থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের অবস্থানে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ ব্যাহত হয়। সোমবার সকালে প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে নতুন উপাচার্যের এই কার্যালয়ে প্রবেশের মাধ্যমে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকে এখন সবার নজর রয়েছে। এ বিষয়ে উপাচার্যের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

চুয়েটে চলমান সংকট ও প্রশাসনিক অচলাবস্থা

গত তিন সপ্তাহ ধরে চলা এই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকার পাশাপাশি প্রশাসনিক সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হলেও তা এখনো পুরোপুরি সফল হয়নি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একাংশের এই অনড় অবস্থানের কারণে সংকট দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ছাত্রদল নেতাদের নিয়ে তালা ভেঙে দপ্তরে চুয়েট উপাচার্য

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে আন্দোলনকারীদের আলোচনার মাধ্যমেই কেবল এই দীর্ঘমেয়াদী অচলাবস্থার অবসান ঘটানো সম্ভব। নতুন উপাচার্যের দপ্তরে প্রবেশের পর উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়, তা সময়ই বলে দেবে। ক্যাম্পাসে বর্তমানে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা চলছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।