
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার ইয়েমেন থেকে নিক্ষিপ্ত একটি অস্ত্র বিমানবন্দরের যাত্রী টার্মিনালে আঘাত হানার পর সেখানে আগুন ধরে যায়। তবে এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। ইয়েমানে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, প্রক্ষিপ্ত অস্ত্রটি ক্ষেপণাস্ত্র নাকি ড্রোন ছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া বিমানবন্দরের কাছাকাছি এলাকায় আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যভ্রষ্ট করা হয়েছে।
এর আগে গতকাল শনিবার বিকেলে একই বিমানবন্দরে হুতিদের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। ওই হামলায় দুই বাংলাদেশি নাগরিকসহ মোট ১২ জন নিহত হন। নিহত দুই বাংলাদেশি হলেন বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের মো. শাহেদ আহম্মেদ এবং কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদরপুর গ্রামের মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরি। এছাড়া ওই ঘটনায় আরও চারজন বাংলাদেশি গুরুতর আহত হন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গতকাল বেলা আনুমানিক তিনটা কুড়ির মিনিটে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল তিনের ওপর ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি পড়েছিল।
রিয়াদ বিমানবন্দরে এই ধারাবাহিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে বিগত দিনে চৌদ্দজন বাংলাদেশিকে হারানোর কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম আজ মন্ত্রণালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আশা করব যে এই বিপর্যয় বন্ধ হবে, এই আক্রমণ বন্ধ হবে। এ ধরনের মৃত্যু আসলে মেনে নেওয়া অত্যন্ত কষ্টকর।
আমরা আশা করব যে এই বিপর্যয় বন্ধ হবে, এই আক্রমণ বন্ধ হবে। এ ধরনের মৃত্যু আসলে মেনে নেওয়া অত্যন্ত কষ্টকর। - শামা ওবায়েদ ইসলাম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সৌদি জোট ও স্থানীয় প্রশাসন বর্তমানে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তবে 연속 হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
মন্তব্য করুন
ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।