|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

সৌদির জন্য বড় শঙ্কা, ইয়েমেন ও ইরানের যৌথ চালে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ

0 শেয়ার
সৌদি আরবের তেল ও কৌশলগত অবকাঠামো লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সৌদি আরবের তেল ও কৌশলগত অবকাঠামো লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • সৌদির অর্থনৈতিক অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সম্মেলনকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে হুতিরা।
  • মার্কিন অবরোধ শিথিল করাতে তেহরান ও হুতিরা এই যৌথ কৌশল নিয়েছে।
  • এই সংঘাত দীর্ঘমেয়ায়ী হলে সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

ইয়েমেনের গণ্ডি পেরিয়ে সৌদি আরবের কৌশলগত অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক বিনিয়োগ সম্মেলনগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা বাড়িয়েছে হুতি বিদ্রোহীরা। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে চাপে ফেলতে ইরান ও হুতিরা এই যৌথ কৌশল বেছে নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালি থেকে লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালি পর্যন্ত বিস্তৃত এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের শঙ্কা তৈরি করেছে।

নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার বাতিল করলেন ট্রাম্প

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের মুখে থাকা ইরান মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র হুতিদের ব্যবহার করে ওয়াশিংটনকে নীতি পরিবর্তনে বাধ্য করতে চাইছে। তেহরানের ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ শিথিল করাতে এবং হুতিদের রাজনৈতিক ও সামরিক সহায়তা নিশ্চিত করতে এই হামলা চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে ইয়েমেনে সৌদি সামরিক অভিযান বন্ধ, বন্দর ও বিমানবন্দরের বিধিনিষেধ প্রত্যাহার এবং যুদ্ধ ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে হুতিরা।

গত এক সপ্তাহে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং বিশ্বের বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান সৌদি আরামকোর স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলার ফলে সৌদির বার্ষিক বৈশ্বিক বিনিয়োগ সম্মেলন ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এফআইআই) মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে এবং শীর্ষস্থানীয় তেল নির্বাহীরা অনুষ্ঠানস্থল থেকে দূরে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। ২০১৯ সালের আরামকো হামলার মতো এবারও সৌদির তেল ও জ্বালানি খাত বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

সংঘাতের অর্থনৈতিক ঝুঁকি ও আঞ্চলিক প্রভাব

সৌদি আরবের অবস্থান সম্পর্কে অবগত সূত্রগুলো জানিয়েছে, হুতিদের এই বহুমুখী হামলা যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের অর্থনৈতিক রূপান্তর পরিকল্পনা বা ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নে বড় ধরনের সংকট তৈরি করেছে। হুতিদের অবকাঠামোর তুলনায় সৌদি আরবের অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোর মূল্য ও ঝুঁকি অনেক বেশি হওয়ায় এই সংঘাত দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয়যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। মার্কিন প্রশাসন থেকে সরাসরি বড় ধরনের সামরিক সহায়তা পেতে ব্যর্থ হওয়ায় রিয়াদ এখন আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য রক্ষায় কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যকার কার্যকর সমন্বয় ও ঐক্য ছাড়া হুতিদের এই আগ্রাসন রোধ করা সম্ভব নয়। ২০১৫ সালের সংঘাতের চেয়েও বর্তমান পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, হুতিদের এই কৌশল কেবল সৌদি আরব নয়, বরং পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।