|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

মিয়ানমার জান্তা ব্যবসায়ীর মেয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলল যুক্তরাষ্ট্র

0 শেয়ার
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় মিয়ানমারের জান্তা-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর মেয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় মিয়ানমারের জান্তা-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর মেয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • মিয়ানমারের এক ব্যবসায়ীর মেয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
  • মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গত শুক্রবার এই তথ্য জানানো হয়েছে।
  • নিষেধাজ্ঞার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার দাবিতে ওই নারী আদালতে মামলা করেছিলেন।

মিয়ানমারের এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দেশটির সামরিক বাহিনীকে সহায়তার অভিযোগ থাকলেও তাঁর মেয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত শুক্রবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের (ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার দাবিতে ওই নারী মামলা করার পর যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বসানো সরকারের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরুর খবরের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত এলো।

সৌদি আরবের রিয়াদে বিকট বিস্ফোরণ, সানা বিমানবন্দরে জোটের হামলা

মিয়ানমারের নাগরিক থেইন্ট উইন থেটকে স্পেশালি ডেজিগনেটেড ন্যাশনালস অ্যান্ড ব্লকড পারসনস লিস্ট বা এসডিএন তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় শ্বে বায়াইন ফিউ গ্রুপ অব কোম্পানিজ, এর প্রতিষ্ঠাতা থেইন উইন জাও এবং তাঁর পরিবারকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছিল। মন্ত্রণালয় সেসময় জানিয়েছিল যে প্রতিষ্ঠানটি সামরিক বাহিনীর পক্ষে জ্বালানি তেল আমদানি ও বিতরণ করত এবং পরিবারটি জান্তা সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত অন্তত ২০টি কোম্পানির মালিক।

এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, এই সিদ্ধান্ত প্রশাসনের এই মূল্যায়নেরই প্রতিফলন যে বার্মা-সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত লক্ষ্য অর্জনে এই তালিকাভুক্তি আর কার্যকর ভূমিকা রাখছে না। মুখপাত্র আরও বলেন, বার্মার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারগুলো এগিয়ে নিতে প্রশাসন প্রতারণাকেন্দ্র দমন এবং চলমান সহিংসতা ও মানবিক সংকট মোকাবিলায় শান্তিপ্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করার মতো নানা উপায় কাজে লাগাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

নিষেধাজ্ঞার প্রভাব ও আইনি লড়াই

নিষেধাজ্ঞার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে নিজের পড়াশোনা ব্যাহত হওয়ার দাবি জানিয়ে থেইন্ট উইন থেট আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া এই নারী অভিযোগে জানান যে তাঁর মার্কিন ক্রেডিট কার্ডগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং বিদেশি ব্যাংক হিসাব সীমিত বা বন্ধ করা হয়েছিল। তবে চলতি বছরের জুলাইয়ে তিনি নতুন করে অভিযোগ দায়ে করে জানান যে বাবার ব্যবসায় তাঁর সক্রিয় কোনো ভূমিকা নেই। তাঁর আইনজীবী এরিক ফেরারি গত শুক্রবার ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার মার্কিন জেলা আদালতে একটি নোটিশ দিয়ে স্বেচ্ছায় মামলা প্রত্যাহারের কথা জানান।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাস্টিস ফর মিয়ানমার নামের একটি সংগঠন। সংগঠনটির ভাষ্যমতে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী যখন বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা বৃদ্ধি করছে, ঠিক তখনই যুক্তরাষ্ট্র জান্তার সন্ত্রাসে অর্থ জোগানো সুবিধাভোগীদের পরিবারের সদস্যদের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে চলেছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর বাইডেন প্রশাসন মিয়ানমারের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ও সহযোগী কোম্পানিগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছিল, যার জেরে দেশটিতে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধে আনুমানিক ১ লাখ মানুষ নিহত ও ৩৫ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।