|
ঢাকা স্টোরি
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

ইরানে বড় হামলার আশঙ্কা, উপসাগরীয় দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা

0 শেয়ার
মার্কিন সামরিক সতর্কতা ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি।
মার্কিন সামরিক সতর্কতা ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
  • তেহরানকে আলোচনায় বাধ্য করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এই প্রস্তুতি নিচ্ছে।
  • কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোকে এই সতর্কতা জানানো হয়েছে।

আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে স্বল্পমেয়াদি কিন্তু তীব্র সামরিক অভিযান চালানোর সম্ভাবনা নিয়ে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোকে সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন। কূটনৈতিক ও সামরিক চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেরিত এই বার্তায় বলা হয়েছে, তেহরানকে সামরিকভাবে দুর্বল করে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে এই প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে ইতোমধ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত বাড়ানোর পাশাপাশি যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমান মোতায়েনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হয়েছে।

জাপানি গণমাধ্যমে বিশেষ গুরুত্ব পেল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগন ও গোয়েন্দা সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও সুসংহত করতে টেক্সাস থেকে একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে। এর পাশাপাশি একটি বিমানবাহী রণতরির স্ট্রাইক গ্রুপ এবং মেরিন বাহিনীর একটি অভিযানিক ইউনিট খুব শীঘ্রই ওই অঞ্চলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ইতোপূর্বে নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশন থেকে মার্কিন সেনা ও কর্মীসংখ্যা কমানোর কঠোর নির্দেশ দিয়েছিল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সতর্ক করে জানিয়েছেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরাইলের প্ররোচনায় নতুন কোনো সামরিক অভিযান চালানো হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তার অত্যন্ত ভয়াবহ অর্থনৈতিক প্রভাব পড়বে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কূটনৈতিক উদ্যোগ থমকে যাওয়া এবং ইসরাইলের অবস্থান

সামরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি কূটনৈতিক সমাধানের পথও বর্তমানে এক প্রকার থমকে আছে। কাতারের মধ্যস্থতায় সম্প্রতি পেশ করা একটি খসড়া চুক্তি ইরান ‘অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করায় মধ্যস্থতার উদ্যোগ বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে। এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের কথিত অস্তিত্বের হুমকি মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে মার্কিন কংগ্রেসকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলমান এই সামরিক প্রস্তুতি ও সংঘাতে এ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের ব্যয় হয়েছে ৪৭১০ কোটি ডলার, যার ৬০ শতাংশেরও বেশি খরচ হয়েছে কেবল বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে তেহরান পারমাণবিক ইস্যুতে কোনো ধরনের নমনীয়তা না দেখানোর দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত কোনো নির্দেশ না দিলেও ইরানের মূল অবকাঠামো ও পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের হামলার বিষয়ে তার আগ্রহ রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান এই সামরিক উত্তেজনা যেকোনো সময় বড় ধরনের আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে, যার প্রভাব পড়বে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।