|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

ঘড়ি আর চশমা: ছোট অ্যাকসেসরিজে বড় পরিবর্তন

0 শেয়ার
ঘড়ি আর চশমা: ছোট অ্যাকসেসরিজে বড় পরিবর্তন
ঘড়ি আর চশমা: ছোট অ্যাকসেসরিজে বড় পরিবর্তন
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • একটি ভালো ঘড়ি ও মানানসই চশমায় বদলে যাবে পুরো লুক।
  • মিনিমাল অ্যাকসেসরিজ বাছাইয়ের সহজ ও ব্যবহারিক নির্দেশনা।
পোশাক ঠিকঠাক, তবু লুকে যেন কিছু একটা কমতি। এমন অনুভূতি হলে সম্ভবত অভাবটা অ্যাকসেসরিজের। বড়সড় সাজসজ্জা ছাড়াই মাত্র দুটি ছোট জিনিস, একটা ভালো ঘড়ি আর মানানসই চশমা, পুরো লুকটাই বদলে দিতে পারে। স্টাইল সচেতন মানুষেরা জানেন, বিস্তারিতেই লুকিয়ে থাকে আসল পরিপাট্য।

                                        
                                                                                    
গর্ভবতী স্ত্রীর পাশে স্বামীর ভূমিকা যেমন হওয়া উচিত
ঘড়ি শুধু সময় দেখার যন্ত্র নয়, এটা ব্যক্তিত্বের প্রকাশ। অফিস বা ফরমাল অনুষ্ঠানে চামড়ার বেল্টের ক্লাসিক ঘড়ি মানানসই। ক্যাজুয়াল দিনে মেটাল বা ফ্যাব্রিক স্ট্র্যাপের ঘড়ি ভালো লাগে। ঘড়ির আকার হাতের সঙ্গে মানানসই হওয়া জরুরি। খুব বড় ডায়াল ছোট হাতে বেমানান লাগে, আবার ছোট ডায়াল বড় হাতে হারিয়ে যায়। একটা নিরপেক্ষ রঙের ঘড়ি প্রায় সব পোশাকের সঙ্গেই চলে, তাই প্রথম ঘড়ি হিসেবে কালো, বাদামি বা সিলভার রঙ বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। চশমার ক্ষেত্রে মুখের আকৃতি অনুযায়ী ফ্রেম বাছাই করাই মূল কৌশল। গোল মুখে চৌকো বা আয়তাকার ফ্রেম ভালো লাগে, আর চৌকো মুখে গোলাকার ফ্রেম মানায়। ফ্রেমের রঙ ত্বকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে নিলে দেখায় স্বাভাবিক। সানগ্লাস কেনার সময় শুধু স্টাইল নয়, রোদ থেকে চোখের সুরক্ষার দিকটাও বিবেচনায় রাখুন। ভালো মানের লেন্স চোখকে ক্ষতিকর রশ্মি থেকে বাঁচায়।
বিজ্ঞাপন
Advertisement
ঘড়ি আর চশমা একসঙ্গে পরার সময় সমন্বয়ের দিকে খেয়াল রাখুন। দুটোতেই যদি ধাতব অংশ থাকে, তবে একই রঙের ধাতু, যেমন সিলভারের সঙ্গে সিলভার, মিলিয়ে নিলে লুকটা হয় গোছানো। অতিরিক্ত অ্যাকসেসরিজ একসঙ্গে না পরাই ভালো। ঘড়ি আর চশমার পাশাপাশি হয়তো একটা সাধারণ ব্রেসলেটই যথেষ্ট। কম অ্যাকসেসরিজে পরিপাটি থাকার নামই মিনিমাল স্টাইল। মনে রাখবেন, অ্যাকসেসরিজের কাজ পোশাককে পূর্ণতা দেওয়া, পোশাককে ছাপিয়ে যাওয়া নয়। সঠিক ঘড়ি আর মানানসই চশমা সাধারণ পোশাককেও করে তোলে আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি। অ্যাকসেসরিজ কেনার সময় বাজেটের দিকটাও ভাবুন। দামি ব্র্যান্ডের পেছনে না ছুটে মানসম্মত সাধারণ ঘড়ি বা চশমা কিনুন। ঘড়ির বেল্ট বদলে নিলেই একই ঘড়িতে আসে নতুন লুক, চামড়ার বেল্টের বদলে মেটাল বা ফ্যাব্রিক স্ট্র্যাপ ব্যবহার করে দেখুন। চশমার ক্ষেত্রে দোকানে গিয়ে মুখে পরে যাচাই করা সবচেয়ে ভালো। অনলাইনে কিনলে রিটার্ন নীতি দেখে নিন। মনে রাখবেন, অ্যাকসেসরিজে বিনিয়োগ মানে নিজের উপস্থিতিতে বিনিয়োগ। ছোট এই দুটি অনুষঙ্গই প্রতিদিনের সাধারণ পোশাকে আনে পরিপূর্ণতার ছোঁয়া।
বিজ্ঞাপন
Advertisement
ঘড়ির ধরন বুঝে কিনুন। অ্যানালগ ঘড়ি ক্লাসিক ও ফরমাল, অফিস বা অনুষ্ঠানে মানায়। ডিজিটাল ঘড়ি খেলাধুলা বা ক্যাজুয়াল ব্যবহারে ভালো। স্মার্টওয়াচে ফোনের নোটিফিকেশন দেখা যায়, তবে প্রতিদিন চার্জ দিতে হয়। যিনি প্রথম ঘড়ি কিনছেন, তার জন্য সাধারণ অ্যানালগই সেরা পছন্দ, সব জায়গায় চলে। স্ট্র্যাপ বদলে একই ঘড়িতে নতুন লুক আনা যায়। চামড়ার স্ট্র্যাপ ফরমাল, মেটাল ব্রেসলেট পার্টিতে ভালো লাগে, ফ্যাব্রিক বা নাইলন স্ট্র্যাপ ক্যাজুয়াল দিনের জন্য। স্ট্র্যাপ বদলানো সহজ, দোকানেই করে দেয়। গ্রীষ্মে চামড়ার স্ট্র্যাপে ঘামে দুর্গন্ধ হতে পারে, তখন মেটাল বা ফ্যাব্রিক ব্যবহার করুন। ঘড়ির যত্ন নিলে বছরের পর বছর চলে। ব্যাটারি শেষ হলে দেরি না করে বদলে নিন, ভেতরে লিক হয়ে নষ্ট হতে পারে। পানি প্রতিরোধী লেখা থাকলেও গোসলের সময় ঘড়ি খুলে রাখুন, গরম পানি সিল নষ্ট করে। ঘড়ি মাটিতে পড়লে ভেতরের যন্ত্র নড়ে যেতে পারে, তাই সাবধানে পরুন। নরম কাপড়ে মাঝে মাঝে মুছে নিন। সানগ্লাসে সুরক্ষার দিকটা দেখুন। ভালো লেন্স রোদের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে চোখ বাঁচায়। লেন্সে ইউভি সুরক্ষা আছে কি না দোকানে জিজ্ঞেস করুন। গাড়ি চালানোর সময় পোলারাইজড লেন্সে চোখে আরাম লাগে। সস্তা রঙিন কাচে চোখের ক্ষতি হতে পারে, তাই মান যাচাই করে কিনুন। চশমার যত্নে কয়েকটি অভ্যাস গড়ুন। লেন্স মুছতে সবসময় নরম কাপড় ব্যবহার করুন, গেঞ্জির কোণায় মুছলে দাগ পড়ে। চশমা খুলে রাখার সময় ডান্ডা ভাঁজ করে কেসে রাখুন, টেবিলে উল্টো করে রাখবেন না। গরম গাড়িতে চশমা ফেলে রাখবেন না, ফ্রেম বেঁকে যেতে পারে। স্ক্রু ঢিলে হলে দোকানে বিনামূল্যেই টাইট করে দেয়। উপহার হিসেবে ঘড়ি বা চশমা চমৎকার। তবে চশমা উপহার দেওয়ার আগে প্রাপকের মুখের মাপ জানা জরুরি, নইলে বেমানান হতে পারে। ঘড়ি নিরাপদ উপহার, বাক্সসহ দিলে দেখতেও ভালো লাগে। বাজেট কম হলে ভালো মানের সাধারণ ব্র্যান্ডই যথেষ্ট, দামি ব্র্যান্ডের লোগোর পেছনে ছোটার দরকার নেই। মুখের আকৃতির সঙ্গে ঘড়ির ডায়ালও মিলিয়ে নিন। চিকন হাতে মাঝারি ডায়াল ভালো লাগে, মোটা হাতে একটু বড় ডায়াল মানায়। ডায়ালের রঙ পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে নিলে লুক গোছানো হয়। সাদা ডায়াল দিনের বেলায় পরিষ্কার দেখায়, কালো ডায়াল সন্ধ্যায় আকর্ষণীয়। মেয়েদের চশমা আর মেকআপের সমন্বয়ও ভাবুন। মোটা ফ্রেমের চশমা পরলে চোখের মেকআপ হালকা রাখুন, নইলে মুখ ভারী দেখায়। পাতলা ফ্রেমে চোখে একটু গাঢ় কাজল ভালো লাগে। সানগ্লাস পরার দিনে ঠোঁটে হালকা রঙ রাখুন, মুখের ভারসাম্য থাকে। ঋতুভেদে অ্যাকসেসরিজ বদলান। গ্রীষ্মে হালকা ফ্রেমের চশমা আর ফ্যাব্রিক স্ট্র্যাপের ঘড়ি আরামদায়ক। শীতে চামড়ার স্ট্র্যাপ আর গাঢ় ফ্রেম ভালো লাগে। বর্ষায় মেটালের জিনিসে মরিচা পড়তে পারে, তাই ব্যবহারের পর শুকনো কাপড়ে মুছে রাখুন। ছোট এই যত্নে অ্যাকসেসরিজ টেকে বহুদিন।
Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।