|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

ভাড়াটে খুনি দিয়ে ছাত্রদল নেতা জিশানকে হত্যা, বলছে পুলিশ

0 শেয়ার
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিশান হত্যা মামলা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কর্মকর্তারা।
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিশান হত্যা মামলা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কর্মকর্তারা।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিশানকে পরিকল্পনা করে ভাড়াটে খুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
  • এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
  • হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস ও আইফোন জব্দ করেছে পুলিশ।

কক্সবাজার: কক্সবাজারের চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ ইসফাতুল ইসলাম ওরফে জিসানকে পরিকল্পনা করে ভাড়াটে খুনি দিয়ে খুন করানো হয়েছে বলে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তির আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও চাঞ্চল্যকর এই তথ্য উঠে এসেছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে জিসানকে অপহরণের পর হত্যা করা হয় এবং পরবর্তীতে মহাসড়কের পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সাংবাদিকদের ওপর হামলা: রাবি ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার, ৬ জনকে শোকজ

আদালতে জবানবন্দি দেওয়া দুই ব্যক্তি হলেন চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নের আনোয়ার হোসেন ওরফে কালু ড্রাইভার এবং রিংভং ছগিরশাহ কাটা এলাকার জিসাত মিয়া ওরফে শওকত। গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করার পর তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাঁর দেওয়া তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ২ অক্টোবর ভোরে জিসাত মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস ও একটি আইফোন জব্দ করা হয় এবং তিনিও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

আজ সোমবার চকরিয়া থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জিসান হত্যার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে পুলিশ। এ সময় চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল আজিজ ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ জানায়, নিহত জিসানের সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কোনো স্বার্থসংশ্লিষ্টতা বা পূর্বশত্রুতা ছিল না এবং তাঁরা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিও নন। মূল পরিকল্পনাকারীরা আনোয়ার হোসেনকে ভাড়া করেছিলেন এবং তাঁর মাধ্যমেই জিসাত মিয়াসহ অন্য খুনিরা এই মিশনে যুক্ত হন।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

হত্যার নেপথ্যে আর্থিক বিরোধ ও প্রবাস থেকে হুমকি

পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রেজিয়া সুলতানার সঙ্গে জিশানের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ও অর্থ লেনদেন নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়। এর জেরে রেজিয়ার ভাই বিদেশে অবস্থানরত মিজানুর রহমানের সঙ্গে জিসানের ফোনে কথা-কাটাকাটি হয় এবং তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এরপর বিদেশে থাকা মিজানুরসহ অন্য আসামিরা জিসানকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আনোয়ার হোসেনের মাধ্যমে চকরিয়ার মালুমঘাট এলাকা থেকে ভাড়াটে হত্যাকারী সংগ্রহ করা হয়। গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে কাকারা ইউনিয়ন থেকে একটি নোয়াহ গাড়িতে করে জিসানকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চার ঘণ্টা পর খুটাখালী এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জিসান কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

এ ঘটনায় জিশানের বড় ভাই কাইচার হামিদ বাদী হয়ে ২৯ সেপ্টেম্বর চকরিয়া থানায় রেজিয়া সুলতানা, তাঁর ভাই মিজানুর রহমানসহ বেশ কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা ও কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া বাকি ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।