|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

কুবি শিক্ষকের ছেলে হত্যা: বিচারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

0 শেয়ার
কুবি শিক্ষকের ছেলে হত্যা: বিচারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
কুবি শিক্ষকের ছেলে হত্যা: বিচারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকের ছেলে হত্যার ঘটনায় মহাসড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
  • পুলিশ ইতোমধ্যে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে।
  • নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে লালমাই পাহাড় এলাকার একটি জঙ্গল থেকে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ১৩ বছর বয়সী কিশোর ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এ সময় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা, যার ফলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

আখাউড়া সীমান্তে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত শুক্রবার বিকেলে। কোটবাড়ির গন্ধমতী এলাকার বাসা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে ঘর থেকে বের হয়েছিল অপ্রতিম। এরপর থেকেই তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের সন্ধান চেয়ে আকুল আবেদন জানান মা ড. নাহিদা বেগম। নিহতের পরিবার কোটবাড়ি-গন্ধমতী এলাকায় বসবাস করত এবং অপ্রতিম ছিল তাদের একমাত্র সন্তান। নিখোঁজ হওয়ার পরদিন শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন শিক্ষক সমাজ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। দ্রুত আসামীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

পুলিশের তদন্ত ও আটকদের তথ্য

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে মাঠে নামে পুলিশ। নিহতের মোবাইল ফোন ও অন্যান্য সূত্র ধরে প্রথমে সন্দেহভাজন হিসেবে তুহিন নামের এক যুবককে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহিম আহমেদ ও আনাস নামের আরও দুইজনকে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামত উদ্ধারেও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

বর্তমানে কোটবাড়ি বিশ্বরোড ও সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থানীয় প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হবে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।