|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

ধানমন্ডির আবাসিক পরিবেশ রক্ষায় নীতিমালা সংশোধনের বড় উদ্যোগ সরকারের

0 শেয়ার
ধানমন্ডির আবাসিক পরিবেশ রক্ষায় নীতিমালা সংশোধনের বড় উদ্যোগ সরকারের
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • যানজট নিরসন ও পরিবেশ রক্ষায় ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ৩১ বছরের পুরোনো বাণিজ্যিক নীতিমালা সংশোধন করছে সরকার।
  • নতুন নীতিমালার শর্ত ও বিস্তারিত তথ্য জানুন।

রাজধানীর ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার শান্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এই অঞ্চলের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং যত্রতত্র গড়ে ওঠা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ও কার্যক্রম কঠোরভাবে পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নীতিমালার বাইরে গিয়ে কোনো অনিয়ম বা অবৈধ ব্যবহার পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সাথে সময়ের চাহিদা ও আধুনিক নগরায়ণের বিষয়টি মাথায় রেখে পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা এবং যানজট নিরসনের ওপর জোর দিয়ে একটি নতুন ও যুগোপযোগী বাণিজ্যিক নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘে ড. খলিলের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার জাইমা রহমান

সম্প্রতি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় ধানমন্ডির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় জানানো হয়, ১৯৯৫ সালে প্রণীত বিদ্যমান বাণিজ্যিক নীতিমালার আওতায় মিরপুর রোড, সাত মসজিদ রোড, গ্রিন রোড এবং ধানমন্ডির পুরাতন ২ ও ২৭ নম্বর সড়কসংলগ্ন প্লটগুলোতে বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে দীর্ঘ ৩১ বছর পার হয়ে যাওয়ায় এবং এই দীর্ঘ সময়ে ধানমন্ডির জনসংখ্যা ও যানবাহনের চাপ বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায়, পুরোনো এই নীতিমালাটি বর্তমান বাস্তবতার সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

বিশেষ করে ধানমন্ডির আবাসিক এলাকায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শপিং মল ও খাবারের হোটেলের সামনে পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের জায়গা না থাকায় দিনভর তীব্র যানজট লেগে থাকে। অনেক আবাসিক ভবনও কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়াই বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে, যার ফলে গ্রাহক ও দর্শনার্থীদের গাড়িগুলো বাধ্য হয়ে মূল সড়কের ওপর পার্ক করে রাখা হয়। এতে করে আবাসিক এলাকার সাধারণ বাসিন্দা ও পথচারীদের চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে এবং বিদ্যমান সড়ক অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

এসব সমস্যা দূর করতে এবং ধানমন্ডির সবুজায়ন ও পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত সচিবকে (ভূমি ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ) প্রধান করে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সাথে আলোচনা করে দ্রুত একটি আধুনিক খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করবে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ (বিবিআরএ)-এর মাস্টার প্ল্যানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই নতুন বিধিমালা তৈরি করা হবে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, নতুন নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত পুরোনো নিয়মেই কাজ চলবে, তবে ঢাকা শহরের যেকোনো এলাকার প্লটের মূল মাস্টার প্ল্যান পরিবর্তন বা বাণিজ্যিক অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজউককে অবশ্যই মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি নিতে হবে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।