|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

গুলশানে বর্জ্য অপসারণের কাজ পেতে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, গ্রেপ্তার ৩

0 শেয়ার
গুলশানে চাঁদা দাবির ঘটনায় গ্রেপ্তার তিন ব্যক্তির ফাইল ছবি
গুলশানে চাঁদা দাবির ঘটনায় গ্রেপ্তার তিন ব্যক্তির ফাইল ছবি
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • গুলশানে বর্জ্য অপসারণের কাজ পেতে প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।
  • এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
  • অভিযুক্তরা গুলশান সোসাইটির কার্যালয়ে ঢুকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিম্মি করেছিলেন।

রাজধানীর গুলশান আবাসিক এলাকার বর্জ্য অপসারণের কাজ পেতে চাপ সৃষ্টি এবং প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। গত শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে খিলক্ষেত থানার আশিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপির পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ অভিযুক্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনে।

নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলা: আত্মসমর্পণ করে কারাগারে শাহিনুজ্জামান

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর বেলা সাড়ে তিনটার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত গুলশান সোসাইটির কার্যালয়ে প্রবেশ করে। সেখানে তারা উপস্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জিম্মি করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে তারা গুলশান সোসাইটির বর্জ্য অপসারণের সম্পূর্ণ কাজ নিজেদের প্রতিষ্ঠানকে দেওয়ার দাবি জানায়। অন্যথায় প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে বলে হুমকি দেয়। চাঁদা না দিলে সোসাইটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মীদের বড় ধরনের ক্ষতি এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

গুলশান সোসাইটির কার্যালয়ে ঢুকে জিম্মি করে বর্জ্য অপসারণের কাজ দাবি এবং প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগে গুলশান থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা 'বি এন্টারপ্রাইজ' নামের একটি অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে আসছিল। প্রতিষ্ঠানটির কোনো বৈধ নিবন্ধন বা সরকারি অনুমোদন ছিল না। অভিযুক্তরা নিজেদের প্রভাবশালী মহলের পরিচয় দিয়ে গুলশান আবাসিক এলাকার বিভিন্ন বাসায় লিফলেট বিতরণ করছিল এবং সোসাইটির নিয়োজিত কর্মীদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

পুলিশের অভিযান ও আইনি পদক্ষেপ

ঘটনার পরপরই গুলশান থানা পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এবং ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করে পুলিশ অপরাধীদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনের মধ্যে রয়েছেন মো. আনোয়ার (৩০), মো. নাজমুল (২৫) ও মো. জিদান মিয়া (১৯)।

এ ঘটনায় গুলশান থানায় একটি সুনির্দিষ্ট extortion বা চাঁদা দাবির মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গতকালই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গুলশান এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।