|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

শিল্পের নান্দনিকতায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ

0 শেয়ার
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্যোগে আয়োজিত আর্টক্যাম্পে ছবি আঁকছেন শিল্পীরা।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্যোগে আয়োজিত আর্টক্যাম্পে ছবি আঁকছেন শিল্পীরা।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্যোগে দিনব্যাপী আর্টক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
  • সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে এই আর্টক্যাম্পের উদ্বোধন করেন।
  • শিল্পীদের সৃষ্ট শিল্পকর্মগুলো জাদুঘরে স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করা হবে।

শিল্পের নান্দনিকতায় ক্যানভাসে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি, প্রতিরোধ ও প্রতিবাদের নানা অভিব্যক্তি। সোমবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্যোগে দিনব্যাপী আয়োজিত 'বিস্মৃতির বিরুদ্ধে স্মৃতি' নামের এই আর্টক্যাম্পে দেশের খ্যাতনামা প্রবীণ ও নবীন প্রজন্মের শিল্পীরা অংশ নেন। জাদুঘরের পূর্ব প্রান্তে জলাধারের পাশের মাঠে এবং বিশাল অঙ্গনে বসে শিল্পীরা রংতুলিতে জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোর স্মৃতিকে মূর্ত করে তোলেন।

নারী ও শিশুর সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি চান রাষ্ট্রপতি

সকাল ১০টা থেকে ছবি আঁকার এই পর্ব শুরু হয় এবং বেলা একটার দিকে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে আর্টক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, প্রবীণ শিল্পীদের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের শিল্পীরা এতে অংশ নিয়েছেন। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তীতে ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানেও দেশের শিল্পী-সাহিত্যিকেরা সবসময় সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আর্টক্যাম্পে উপস্থিত থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিশিষ্টজনেরা জুলাই অভ্যুত্থানের লক্ষ্য ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এহসান মাহমুদ জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়েছে এবং শিল্পীদের সৃষ্ট শিল্পকর্মগুলো এখানে স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করা হবে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

ক্যানভাসে অভ্যুত্থানের নানা রূপ ও শিল্পীদের ভাবনা

অংশগ্রহণকারী শিল্পীরা তাঁদের বিভিন্ন মাধ্যমের শিল্পকর্মে মুক্ত ও বহুত্ববাদী সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের স্মৃতি সজীব করে তুলেছেন। অধ্যাপক মোস্তাফিজুল হক জানান, ফ্যাসিবাদের পতন হলেও বৈষম্য পুরোপুরি দূর হয়নি। অন্যদিকে, রাজপথের সক্রিয় কর্মী ও শিল্পী মোস্তাফা জামান রাজপথের রক্তাক্ত দৃশ্য ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলেছেন। শিল্পী নাসিম আহমেদ নাদভি, নাইমা হক, জাফরিন গুলশান এবং ফারজানা আহমেদ উর্মি নিজেদের শিল্পকর্মে অভ্যুত্থানের নানা বেদনা, প্রত্যাশা ও স্মৃতির অনুষঙ্গ তুলে ধরেছেন।

আর্টক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য শিল্পীরা তাঁদের তুলির টানে ফুটিয়ে তুলেছেন রাজপথের আন্দোলন, আত্মত্যাগ এবং সাধারণ মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে। ফ্যাসিবাদী শাসনের গুম, খুন ও নির্যাতনের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং গবেষণার দলিল হিসেবে এই শিল্পকর্মগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকেরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।