|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

সৌদি আরবে হামলায় নিহত বাংলাদেশী যুবক শাহেদের বাড়িতে মাতম

0 শেয়ার
সৌদি আরবে হামলায় নিহত শাহেদ আহম্মেদের শোকাহত পরিবারের বাড়ি ও স্বজনদের ভিড়
সৌদি আরবে হামলায় নিহত শাহেদ আহম্মেদের শোকাহত পরিবারের বাড়ি ও স্বজনদের ভিড়
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • সৌদি আরবে হুতি গোষ্ঠীর হামলায় বগুড়ার শাহেদ আহম্মেদ নিহত হয়েছেন।
  • রিয়াদ বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাঁর সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল স্ত্রীর।
  • সরকারি উদ্যোগে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুতি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় নিহত হয়েছেন বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের যুবক শাহেদ আহম্মেদ (৩২)। রিয়াদে পৌঁছানোর পর স্ত্রীর সঙ্গে মুঠোফোনে এটিই ছিল তাঁর শেষ কথা, জেদ্দায় পৌঁছে ফোন দেব। কিন্তু এরপর আর কোনো কথা হয়নি। শনিবার বিকেলে ফোনে আসে তাঁর মৃত্যুর সংবাদ। এই আকস্মিক মৃত্যুতে শাহেদের পরিবার ও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সাদপন্থীদের মামলার তদন্ত ও বিচারসহ ৫ দাবি ওলামা মাশায়েখের

পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত শাহেদ দুই ভাইবোনের মধ্যে ছোট। তাঁর বাবা রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে বসবাস করছেন। বাবার কাছে গিয়ে দুই বছর আগে শাহেদও সৌদি আরবে পাড়ি জমান। এক মাস আগে ছুটিতে দেশের বাড়ি এসেছিলেন তিনি। পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটিয়ে গত শুক্রবার ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন এবং পরদিন ১০ অক্টোবর তাঁর সৌদি আরবে যাওয়ার ফ্লাইট ছিল। রিয়াদে পৌঁছানোর পর শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয়।

রিয়াদে নেমেছি, জেদ্দায় পৌঁছে ফোন দেব।

শাহেদের মৃত্যুর খবর পৌঁছানোর পর থেকে তাঁর বাড়িতে মাতম চলছে। সন্তানের মৃত্যুসংবাদে পুরোপুরি ভেঙে পড়েছেন তাঁর মা শাহেরা বেগম। ছেলের লাশ কবে দেশে আসবে, বারবার সেই প্রশ্নই করছেন তিনি। স্বামীর মৃত্যুর খবরে কাকলি বেগমের জীবনেও নেমে এসেছে ঘোর অন্ধকার। এ দম্পতির দুই ছেলে কাওছার (১১) ও আবদুল্লাহ (৬) এখন বাবার পথের দিকে তাকিয়ে আছে। পরিবারের সদস্যরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন শাহেদের মরদেহটি দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

সরকারি উদ্যোগে মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া

শাহেদের চাচাতো ভাই মাসুম রানা জানান, প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারিভাবে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে শাজাহানপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাইফুর রহমান জানিয়েছেন, সরকারি উদ্যোগে শাহেদের মরদেহ দেশে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে।

ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর এই আকস্মিক হামলায় শাহেদসহ মোট দুই বাংলাদেশী নিহত হয়েছেন। নিহত অপর ব্যক্তি কুমিল্লার নাঙ্গোলকোট উপজেলার বাসিন্দা নাসরুল্লাহ বদরপুরি। মধ্যপ্রাচ্যের এই নিরাপত্তা সংকটে প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শোকাহত পরিবার এখন শুধু একটিবারের জন্য শাহেদের মুখটি দেখতে এবং তাঁর মরদেহটি শেষবারের মতো দেশের মাটিতে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।