|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

হয়রানির প্রতিবাদে দুই দিন সারা দেশে এলপি গ্যাসের দোকান বন্ধের ঘোষণা

0 শেয়ার
জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এলপি গ্যাসের দোকান বন্ধের ঘোষণা দেন ব্যবসায়ীরা।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এলপি গ্যাসের দোকান বন্ধের ঘোষণা দেন ব্যবসায়ীরা।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ব্যবসায়ীদের হয়রানির প্রতিবাদে আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা দেশে এলপি গ্যাসের দোকান বন্ধ থাকবে।
  • দাবি আদায় না হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
  • সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

ঢাকা: ব্যবসায়ীদের হয়রানির প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (১৫ ও ১৬ অক্টোবর) সারা দেশে সব এলপি গ্যাসের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যবসায়ীরা নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং এর প্রতিকার চেয়ে তারা এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।

দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ছাড়াল এক লাখ, মৃত্যু বেড়ে ৩০৮ জন

সংবাদ সম্মেলনে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. সেলিম খান লিখিত বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে এলপিজি ব্যবসায়ীরা নানা অনিয়ম ও অযৌক্তিক হয়রানির মুখে পড়ছেন। লাইসেন্স এবং অন্যান্য কাগজপত্রের অজুহাতে ব্যবসায়ীদের জরিমানা ও হেনস্তা করা হচ্ছে, যা ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছে। বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। বাধ্য হয়েই ব্যবসায়ীরা আন্দোলনের এই পথ বেছে নিয়েছেন।

"ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধ না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে চাই, কোনো ধরনের আইনি জটিলতার নামে শোষণ চাই না।" - মো. সেলিম খান, সভাপতি, এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

দাবি না মানলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর দেশব্যাপী সব খুচরা ও পাইকারি এলপি গ্যাসের দোকান সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। সমিতির নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি তাদের দাবি মেনে নেওয়া হয় এবং হয়রানি বন্ধের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে পরবর্তীতে আরও কঠোর ও লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। এতে সাধারণ ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং জ্বালানি খাতের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের অসন্তোষ নিরসনে সংশ্লিষ্ট সরকারি মহলের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে দুই দিনব্যাপী এই দোকান বন্ধের ঘোষণার ফলে সাধারণ consumidoresর মাঝে জ্বালানি সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সমিতির পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নির্ভর করছে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কোনো আলোচনার ওপর।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।