|
ঢাকা স্টোরি
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর: মৃত্যুর আগের দিন বাবার সঙ্গে কথা হয় সুইটির

0 শেয়ার
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সুইটি আক্তারের মির্জাপুরের বাড়ি ও স্বজনদের কান্নার দৃশ্য।
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সুইটি আক্তারের মির্জাপুরের বাড়ি ও স্বজনদের কান্নার দৃশ্য।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • সৌদি আরবে ফাঁসি কার্যকরের আগের দিন বাবার সঙ্গে শেষ কথা হয় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের সুইটি আক্তারের।
  • পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করতে গিয়ে গাড়ি কেনার মামলায় গ্রেপ্তার হন তিনি।
  • পরিবারের দাবি তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন এবং তারা মেয়ের মরদেহ দেশে ফেরানোর আকুতি জানিয়েছেন।

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগের দিন টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাসিন্দা সুইটি আক্তারের সঙ্গে শেষবারের মতো ফোনে কথা হয়েছিল তার বাবার। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে তিন বছর আগে দেশটিতে পাড়ি জমানোর পর পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন সুইটি। কারাবন্দি থাকা অবস্থায় গত ১৩ই অক্টোবর সন্ধ্যায় বাবার সঙ্গে সর্বশেষ কথা বললেও বিচার বা মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে পরিবারকে কিছু জানাননি তিনি।

গর্ভজাত সন্তান বিক্রির চেষ্টার সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী

পরিবার সূত্রে জানা যায়, অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার পর প্রথম সংসার ভেঙে যাওয়ার পর একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি ফেরেন সুইটি। পরবর্তীতে পরিবারের চাপে দ্বিতীয়বার বিয়ে করলেও স্বামী সৌদি যাওয়ার পর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। সংসারের অভাব দূর করতে এবং মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ২০২৩ সালের মার্চে নিজেই সৌদি আরবে যান সুইটি আক্তার। দেশটিতে পৌঁছানোর মাত্র ছয় মাসের মাথায় অন্য সহকর্মীদের সঙ্গে একটি অবৈধ গাড়ি কেনার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন তিনি।

সুইটি আক্তারের বাবা মো. ফজল মিয়া জানান, কারাবন্দি থাকা অবস্থায় কখনো এক সপ্তাহ আবার কখনো এক মাস পর পর মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ হতো। কারাগারে বন্দি থাকার কথা জানালেও কোনো বিচারিক প্রক্রিয়া বা ফাঁসির আদেশের বিষয়ে তাকে কিছু বলেননি সুইটি। ফজল মিয়া আরও জানান, মেয়ের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়টি তারা কোনোভাবেই বিশ্বাস করেন না এবং তাদের ধারণা সুইটি কোনো না কোনোভাবে গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরিবারের আকুতি ও মরদেহ ফেরানোর দাবি

স্বজনদের দাবি, আইনি লড়াই বা প্রয়োজনীয় তথ্য সময়মতো না পাওয়ায় এমন মর্মান্তিক পরিণতি বরণ করতে হয়েছে সুইটিকে। এদিকে একমাত্র মেয়ের মৃত্যুর খবরে পাগল প্রায় মা জহুরা বেগম বুক চাপড়ে বলেন, সুইটির জীবন কতটা কষ্টের ছিল তা সে কাউকে বলেনি। শেষবারের মতো মেয়ের মুখ দেখতে ও মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নিহতের শোকাহত পরিবার ও স্বজনেরা।

বর্তমানে মির্জাপুরের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। প্রতিবেশীরা সান্ত্বনা দিতে ভিড় জমিয়েছেন সুইটির বাড়িতে। প্রবাসী কর্মসংস্থান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।