|
ঢাকা স্টোরি
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে উপজেলা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে ইউএনও ও ওসি

0 শেয়ার
কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গঠিত হতে যাচ্ছে উপজেলা কমিটি। ফাইল ছবি
কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গঠিত হতে যাচ্ছে উপজেলা কমিটি। ফাইল ছবি
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে দেশের সব উপজেলায় নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
  • এই কমিটিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সভাপতি ও থানার ওসিকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।
  • স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ শাখা থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে বিশেষ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক জরুরি বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়। নতুন এই প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) সদস্য সচিব করা হয়েছে।

দুর্গোৎসব পরিদর্শনে তিন জেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

এর আগে গত বুধবার জাতীয় সংসদে কিশোর গ্যাং কর্মকাণ্ড নিয়ে লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিস্তারিত পদক্ষেপের কথা জানানো হয়। সংসদীয় কার্যবিবরণী অনুযায়ী, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং কিশোর গ্যাংয়ের পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই ও রাহাজানি রোধে বিট পুলিশিং, কমিউনিটি পুলিশিং এবং উঠান বৈঠকের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত কাউন্সেলিং ও বিশেষ অভিযানও পরিচালিত হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা যাতে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে, সে জন্য সাইবার নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করে তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সামাজিক সচেতনতা ও প্রযুক্তিগত নজরদারি

আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ এবং কিশোর অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে দিয়েছে। অপরাধীদের শনাক্তকরণ ও সংশোধনমূলক কার্যক্রমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকারি এই পদক্ষেপে অপরাধপ্রবণতা অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক, শিক্ষক এবং সমাজের নেতাদের সম্পৃক্ত করে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং কিশোর গ্যাং সদস্যদের গ্রেপ্তারে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রশাসনিক কঠোরতা এবং সামাজিক আন্দোলনের সমন্বয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য দমনের এই উদ্যোগ মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত হলে সমাজে স্বস্তি ফিরে আসবে। অপরাধ রোধে নিয়মিত কাউন্সেলিং এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।