|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

0 শেয়ার
কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের প্রধান অঙ্গীকার।
  • গণতন্ত্রের মূল দর্শন হলো মানুষের বাক ও ব্যক্তিস্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা।
  • সবার আগে বাংলাদেশ এই প্রত্যয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

ঢাকা: আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই এই মুহূর্তে জনগণের প্রতি সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। জনগণের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে উল্লেখ করে তিনি জানান, সবার আগে বাংলাদেশ এই প্রত্যয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল গণতন্ত্রকামী জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং তাদের গণতান্ত্রিক ও মানবিক অধিকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। এবারের আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে রেইজিং হ্যান্ডস অ্যান্ড ভয়েসেস - ফস্টারিং এজেন্সি অ্যান্ড ওনারশিপ থ্রু ডেলিবারেটিভ ডেমোক্র্যাসি।

টিসিবির কার্যক্রমে এআই নজরদারি ও ডিজিটাল কার্ডের বড় উদ্যোগ

গণতন্ত্রের মূল দর্শন তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের বাক ও ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা করাই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। কেবল ভোটের অধিকার প্রয়োগ করার মধ্যেই গণতান্ত্রিক অধিকার সীমাবদ্ধ নয়, বরং গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত রাখতে হলে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। সেই লক্ষ্যে বর্তমান সরকার দেশে জনগণের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ এবং গণতন্ত্রকে হত্যার ইতিহাস স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন এবং মানুষের বাক, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বীর ছাত্র জনতা এক রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

গণতন্ত্র ও জনগণের ক্ষমতায়ন

বিএনপি সরকারে থাকুক কিংবা বিরোধী দলে, সকল অবস্থান থেকেই বারবার গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে বাণীতে উল্লেখ করা হয়। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদার রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সামাজিক স্থিতি ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করতে একটি আদর্শ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের এই প্রেক্ষাপটে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে সুশাসন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের মতে, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো রাষ্ট্র ব্যবস্থাই দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। বর্তমান প্রশাসন সেই ঘাটতি পূরণে এবং জনকল্যাণমূলক নীতি বাস্তবায়নে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা ভবিষ্যতে দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।