বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা শিরোপা ধরে রাখার মিশনে এবারও দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে। লিওনেল স্কালোনির অধীনে আলবিসেলেস্তেরা গ্রুপ পর্বের প্রথম তিন ম্যাচের সবকটিতেই জয় তুলে নিয়ে ইতোমধ্যে শেষ বত্রিশ (রাউন্ড অব ৩২) নিশ্চিত করেছে।
টানা জয়ের এই ধারায় আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের মঞ্চে এক অনন্য রেকর্ড গড়েছে। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে স্তব্ধ হওয়ার পর থেকে বিশ্বমঞ্চে আর হারের মুখ দেখেনি তারা। কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ দুটি ম্যাচ, নকআউট পর্বের ৪টি ম্যাচ (যার মধ্যে ডাচদের বিপক্ষে টাইব্রেকারে জয়ও ফিফার নিয়মে ড্র বা অপরাজিত ধরা হয়) এবং চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ৩টি ম্যাচ মিলিয়ে টানা ১১টি ম্যাচে অপরাজিত থাকার এক দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে মেসিরা।
নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে এটি আর্জেন্টিনার অন্যতম সেরা অপরাজেয় যাত্রা হলেও, বিশ্বকাপের মঞ্চে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ডটি স্পর্শ করতে বা ভাঙতে মেসিদের এখনো কিছুটা পথ পাড়ি দিতে হবে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে টানা সবচেয়ে বেশি ম্যাচ অপরাজিত থাকার অবিশ্বাস্য বিশ্বরেকর্ডটি এককভাবে ব্রাজিলের দখলে। সেলেসাওরা বিশ্বকাপে টানা ১৩টি ম্যাচে অপরাজিত থাকার কীর্তি গড়েছিল। ১৯৫৮ সালের সুইডেন বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ১৯৬২ সালের চিলি বিশ্বকাপ ছুঁয়ে ১৯৬৬ সালের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা ৩টি আসর জুড়ে বিস্তৃত ছিল পেলের ব্রাজিলের এই অপরাজেয় রাজত্ব। ১৯৬৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে বুলগেরিয়াকে হারিয়ে টানা ১৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর হাঙ্গেরির কাছে ৩-১ ব্যবধানে হেরে ভেঙেছিল ব্রাজিলের সেই অমর রেকর্ড।
সেই হিসেবে, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের এই ৬০ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক নজিরটি স্পর্শ করা থেকে আর্জেন্টিনা আর মাত্র ২টি ম্যাচ পিছিয়ে রয়েছে। আগামী ৩ জুলাই রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে কেপ ভার্দকে হারালে বা ড্র করলে (টাইব্রেকারে ফল যা-ই হোক) আর্জেন্টিনার অপরাজিত ম্যাচের সংখ্যা দাঁড়াবে ১২-তে। এরপর যদি তারা রাউন্ড অব ১৬-এর ম্যাচটিতেও অপরাজিত থাকতে পারে, তবেই তারা ছুঁ
মন্তব্য করুন