|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

প্রশ্নপত্র ফাঁসে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরীক্ষা স্থগিত, ভোগান্তিতে প্রার্থীরা

0 শেয়ার
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরীক্ষা স্থগিত ও চাকরিপ্রার্থীদের ভোগান্তি
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরীক্ষা স্থগিত ও চাকরিপ্রার্থীদের ভোগান্তি
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
  • স্থগিত এই পরীক্ষার নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৬ অক্টোবর।
  • আকস্মিক পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় দূরদূরান্ত থেকে আসা চাকরিপ্রার্থীরা চরম আর্থিক ও মানসিক ভোগান্তিতে পড়েছেন।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের মুখে শেষ মুহূর্তে এসে স্থগিত করা হয়েছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা। গত ১০ অক্টোবর নির্ধারিত এই পরীক্ষায় ২৪২টি পদের বিপরীতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার চাকরিপ্রার্থীর। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে প্রশ্ন ফাঁসের তথ্য সামনে আসায় পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ, যা দেশের লাখো মেধাবী তরুণ চাকরিপ্রার্থীর মাঝে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

রাতের কুমিল্লায় অটোরিকশায় ফাঁদ, বাসায় ফেরাই ঝুঁকিপূর্ণ

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রার্থীরা দীর্ঘ প্রস্তুতি ও নিজেদের সীমিত সম্বল ব্যয় করে ঢাকায় এসেছিলেন সোনার হরিণ খ্যাত একটি সরকারি চাকরির আশায়। কিন্তু কেন্দ্রে পৌঁছানোর পর এবং অনেকের হাতে ওএমআর শিট পৌঁছে যাওয়ার পরও পরীক্ষা বাতিলের ঘোষণা আসায় প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে। কীভাবে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র বাইরে চলে গেল এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নিয়ে এখন চলছে বহুমুখী আলোচনা।

পরীক্ষা স্থগিতের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে চাকরিপ্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। দূরদূরান্ত থেকে আসা প্রার্থীরা ধারদেনা করে ঢাকায় আসলেও মাত্র ছয় দিনের ব্যবধানে ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় নতুন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বাড়তি খরচ বহন করা অনেকের জন্যই অসম্ভব হয়ে উঠেছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

তদন্ত কমিটি গঠন ও প্রশ্ন নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ

এই নজিরবিহীন ঘটনার প্রেক্ষাপটে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের উৎস সন্ধান এবং নিরাপত্তায় কোথায় ঘাটতি ছিল তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিটিকে। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা কেবল একটি পরীক্ষার পবিত্রতাই নষ্ট করে না, বরং পুরো নিয়োগ ব্যবস্থার প্রতি তরুণ প্রজন্মের আস্থাকে মারাত্মকভাবে নাড়া দেয়। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে এই ধরনের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি অত্যন্ত জরুরি।

মাত্র ছয় দিন পর অর্থাৎ আগামী ১৬ অক্টোবর স্থগিত হওয়া এই পরীক্ষার নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার তাগিদ থাকলেও, বারবার পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তনে চাকরিপ্রার্থীদের ওপর যে বাড়তি আর্থিক ও মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়, তার ক্ষতিপূরণ বা বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়টিও নীতিনির্ধারক মহলে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়া এবং কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল চাকরিপ্রার্থীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।