|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

মহাকাশবিজ্ঞান ও রোবোটিকস জানল শিশুরা, বসল ফিউচার অ্যাস্ট্রোনটস মিট-আপ

0 শেয়ার
বিইউবিটিতে আয়োজিত ন্যাশনাল ফিউচার অ্যাস্ট্রোনটস মিট-আপে অংশ নেওয়া শিশু-কিশোররা।
বিইউবিটিতে আয়োজিত ন্যাশনাল ফিউচার অ্যাস্ট্রোনটস মিট-আপে অংশ নেওয়া শিশু-কিশোররা।
ছবি: ফাইল ছবি / ঢাকা স্টোরি
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • রাজধানীর বিইউবিটিতে ন্যাশনাল ফিউচার অ্যাস্ট্রোনটস মিট-আপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
  • দিনব্যাপী এই আয়োজনে ৫০ শিশু-কিশোর মহাকাশবিজ্ঞান ও রোবোটিকস বিষয়ে অংশ নেয়।
  • শিশুদের স্পেস স্টোরিটেলিং প্রতিযোগিতা এবং প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মশালা এই আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিল।

শিশু-কিশোরদের মহাকাশবিজ্ঞান, সৃজনশীলতা ও ভবিষ্যতের মহাকাশ অভিযাত্রার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বিইউবিটি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ন্যাশনাল ফিউচার অ্যাস্ট্রোনটস মিট-আপ ২০২৬। স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প ও বিইউবিটির যৌথ আয়োজনে দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুলের ৪ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৫০ জন শিশু-কিশোর অংশ নেয়। আজ রোববার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রথম বাক্যেই স্পষ্ট এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল নতুন প্রজন্মের মাঝে বিজ্ঞানমনস্কতা তৈরি করা।

হলি ক্রস স্কুলে ২০২৭ সালে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, জানুন বিস্তারিত

আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল শিশুদের অংশগ্রহণে রোমাঞ্চকর স্পেস স্টোরিটেলিং প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপে অংশগ্রহণকারী শিশুরা মহাকাশ নিয়ে নিজেদের স্বপ্ন, চিন্তা, কল্পনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করে। পরবর্তী সময়ে প্রথম ধাপ থেকে নির্বাচিত প্রতিযোগীরা দ্বিতীয় ধাপে পাঁচ মিনিটের চূড়ান্ত স্টোরিটেলিংয়ে অংশ নেয়। শুধু প্রতিযোগিতাই নয়, দিনজুড়ে শিশুদের জন্য রাখা হয়েছিল মহাকাশবিজ্ঞান, স্পেস রোবোটিকস, রোবট ও রকেটবিষয়ক বিশেষ কর্মশালা এবং স্পেস আর্টের মতো প্রযুক্তিভিত্তিক নানা কার্যক্রম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিইউবিটির উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম শওকত আলী বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক ও মহাকাশ গবেষক। নতুন প্রজন্মকে শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারকারী হিসেবে নয়, বরং নতুন প্রযুক্তি ও জ্ঞানের উদ্ভাবক হিসেবে নিজেদের তৈরি করতে হবে। জ্ঞান অর্জন, পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও নতুন কিছু জানার আগ্রহ তাদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

ভবিষ্যতের অভিযাত্রী তৈরির অনন্য প্রয়াস

সমাপনী অনুষ্ঠানে স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের প্রেসিডেন্ট আরিফুল হাসান শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশের ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন,

আমরা চাই, শিশুদের কাছে মহাকাশ শুধু বইয়ের একটি অধ্যায় হয়ে না থাকুক। তারা মহাকাশ নিয়ে প্রশ্ন করুক, নিজের মতো করে ভাবুক, গল্প বলুক, রোবট তৈরি করুক, রকেট নিয়ে জানুক এবং ভবিষ্যতের পৃথিবী ও মহাকাশকে কল্পনা করুক। আজকের এই শিশুদের মধ্য থেকেই হয়তো একদিন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, গবেষক কিংবা মহাকাশচারী তৈরি হবে।
এমন উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের শিশুরা খুব কম বয়স থেকেই আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের প্রযুক্তিভিত্তিক মিট-আপ ও কর্মশালাগুলো কোমলমতি শিশুদের মনস্তত্ত্বে দারুণ ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। পাঠ্যপুস্তকের গণ্ডির বাইরে এসে হাতে-কলমে মহাকাশবিজ্ঞান ও রোবোটিকস শেখার এই অভিজ্ঞতা তাদের আগামী দিনে বিশ্বমানের উদ্ভাবক হয়ে উঠতে সাহায্য করবে। আয়োজক কর্তৃপক্ষ আগামীতে এই কার্যক্রম আরও বড় পরিসরে পরিচালনা করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।