|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

দেড় মাসে বিসিএস ক্যাডার: চিকিৎসকদের জন্য অসম্ভব নয় সাফল্য

0 শেয়ার
বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি ও চিকিৎসকদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন
বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি ও চিকিৎসকদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন
ছবি: ফাইল ছবি / ঢাকা স্টোরি
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • চিকিৎসকদের জন্য মাত্র দেড় মাসে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার কঠিন হলেও অসম্ভব নয় এমন বাস্তবসম্মত কৌশল তুলে ধরা হয়েছে।
  • সুনির্দিষ্ট সময় ব্যবস্থাপনা, শক্তিশালী ও দুর্বল দিক চিহ্নিত করে জেনারেল অংশে বেশি জোর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
  • নিয়মিত মডেল টেস্ট ও ভাইভায় সঠিক উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রথম শ্রেণির সরকারি চাকরি নিশ্চিত করার দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অল্প সময়ে বিসিএস পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করা নিয়ে তরুণ চিকিৎসকদের মধ্যে নানা সংশয় থাকলেও সঠিক পরিকল্পনা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে মাত্র দেড় মাসেও বিসিএসে ক্যাডার হওয়া সম্ভব। সম্প্রতি এক সফল চিকিৎসকের অভিজ্ঞতা থেকে জানা গেছে, হাসপাতালে দীর্ঘ ডিউটির পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বন করে প্রথমবারেই বিসিএসে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হওয়া যায়। ইন্টার্নশিপ শেষ করার পর থেকেই সীমিত সময়ে কীভাবে পাহাড়সমান সিলেবাস শেষ করতে হবে, তার একটি কার্যকর রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

স্কয়ার গ্রুপে নতুন চাকরির সুযোগ, এরিয়া সেলস ম্যানেজার পদে নিয়োগ

কেরিয়ার প্ল্যান নিয়ে আগে থেকেই ভাবনা না থাকলেও, সিনিয়রদের পরামর্শে চিকিৎসকদের জন্য বিসিএসের গুরুত্ব অনুধাবন করে মাত্র দেড় মাস সময় হাতে রেখে প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক। এই স্বল্প সময়ে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিল নিজের শক্তিশালী ও দুর্বল জায়গাগুলো নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করা। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বাংলা ব্যাকরণ, ইংরেজি গ্রামার এবং গাণিতিক দক্ষতাকে মূল পুঁজি করে এবং মুঠোফোনে পিডিএফ রেখে ডিউটির ফাঁকে তা ঝালাই করা হয়েছিল। অন্যদিকে, অপেক্ষাকৃত দুর্বল বিষয় বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে বেশি সময় দিয়ে বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো বারবার পড়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।

"মেডিক্যাল অংশে কমবেশি সবাই ভালো করে, কিন্তু লিখিত নম্বরে মূল পার্থক্য তৈরি করে দেয় জেনারেল পার্ট। তাই গণিত ও মানসিক দক্ষতার প্রস্তুতি খুব ভালোভাবে নেওয়া উচিত," জানান সহকারী সার্জন ডা. শাহজিয়া শাহরিন আনিকা।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

লিখিত পরীক্ষা ও মডেল টেস্টের গুরুত্ব

লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিভিন্ন বইয়ে না ঘুরে একই উৎস থেকে পড়ার মাধ্যমে ভিজ্যুয়াল মেমোরি বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কোচিংয়ের অন্ধ অনুকরণ না করে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী পড়াশোনা গোছানো উচিত। এমবিবিএস সিলেবাসের ওপর ভিত্তি করে মেডিক্যাল অংশের প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত মডেল টেস্টে অংশ নেওয়া জরুরি। কম নম্বর পাওয়ার ভয়ে পরীক্ষা থেকে বিরত না থেকে নিয়মিত মডেল টেস্টে অংশগ্রহণ করলে পরীক্ষার হলের নার্ভাসনেস কাটানো এবং সময় ব্যবস্থাপনা আয়ত্ত করা সহজ হয়। অসুস্থতার মধ্যেও মডেল টেস্টের অভ্যাসের কারণে মূল পরীক্ষায় মানসিক স্থিরতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছিল বলে জানানো হয়।

আরও পড়ুন: বিএনপি দেশকে ধ্বংস করে দিচ্ছে: চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

পরীক্ষার হলের কৌশল ও ভাইভা প্রস্তুতি

পরীক্ষার হলের ১২০ মিনিটের সঠিক ব্যবহারই ক্যাডার হওয়ার প্রধান নির্ধারক। প্রথমে শতভাগ নিশ্চিত প্রশ্নগুলো দাগিয়ে নেওয়ার পর গণিতের জটিল অঙ্ক নিয়ে বেশি সময় নষ্ট না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কাটমার্ক অর্জনের জন্য নিরাপদ জোনে থেকে ভাইভার প্রস্তুতিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ভাইভায় জ্ঞানের পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যক্তিত্ব, আদবকায়দা এবং হাসিমুখে স্মার্ট উপস্থাপনা সর্বোচ্চ নম্বর এনে দিতে পারে। তাই সঠিক দিকনির্দেশনা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে গেলে চিকিৎসকদের জন্য বিসিএসে সাফল্য অর্জন করা সময়ের সেরা সিদ্ধান্ত হতে পারে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।