|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

সরকারবিরোধী চক্রান্ত ও অপপ্রচার: সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে

0 শেয়ার
আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে গ্রেপ্তারকৃতদের।
আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে গ্রেপ্তারকৃতদের।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • সরকারবিরোধী চক্রান্ত ও সাইবার অপপ্রচারের অভিযোগে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
  • তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তাদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
  • মামলার নেপথ্য অর্থায়ন ও ডিজিটাল আলামত খতিয়ে দেখছে ডিবি পুলিশ।

ঢাকা: সরকারবিরোধী চক্রান্ত, সহিংস উসকানি, অবৈধ অর্থায়ন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আসামিরা হলেন লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরা (৪৩) এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) দেবাশীষ (৪৭)।

কারাগারে বন্দি মায়েদের সঙ্গে রয়েছে ৩০৩ শিশু, হাইকোর্টে প্রতিবেদন

এর আগে রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর পল্লবী ও বনানী থানাধীন ডিওএইচএস এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা আইনে ডিবি পুলিশের পল্লবী জোনাল টিমের পরিদর্শক আলী আকবর বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। সোমবার বিকেলে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তায় তাদের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের পরিদর্শক শেখ বশির আহমেদ আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে নিজ নিজ যুক্তি উপস্থাপন করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মুনসুর রিপন রিমান্ড নামঞ্জুর ও জামিন আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হারুন অর রশিদ রিমান্ডের যৌক্তিকতা তুলে ধরে জোরালো সওয়াল করেন। উভয় পক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে চার দিনের রিমান্ডের এই আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

চক্রান্তের নেপথ্য ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের অপপ্রচার

পুলিশের রিমান্ড আবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। তদন্ত কর্মকর্তা জানান, আসামিরা পল্লবী থানাধীন একটি বাসায় বসে বিশেষ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং ফেসবুক পেজ ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী ও সহিংস উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন বিতর্কিত প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পলাতক শীর্ষ নেতাদের যোগসাজশে আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান ও দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির পরিকল্পনা করছিলেন তারা। ২০১৮ সালে আসামিরা 'বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদ' গঠন করেছিলেন বলেও রিমান্ড আর্জিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রান্তের সাথে জড়িত অন্যান্য সহযোগী আসামিদের নাম-ঠিকানা ও অবস্থান চিহ্নিত করা, দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীদের শনাক্ত করা এবং অবৈধ অর্থায়নের উৎস সন্ধানে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং এ ধরণের দেশবিরোধী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন রোধে রিমান্ডে প্রাপ্ত তথ্যগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আরও পড়ুন: সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা সন্ত্রাসবিরোধী ও সাইবার আইনে গ্রেপ্তার

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।