|
ঢাকা স্টোরি
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান হত্যা মামলার রায় ঘোষণা: এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড

0 শেয়ার
সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে রায়হান হত্যা মামলার রায় ঘোষণা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা।
সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে রায়হান হত্যা মামলার রায় ঘোষণা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে।
  • আদালত প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবর হোসেন ভুইয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।
  • পাশাপাশি অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমদ নিহতের চাঞ্চল্যকর মামলায় বরখাস্ত হওয়া সাব-ইন্সপেক্টর আকবর হোসেন ভুইয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল মজিদ মুন্সী এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর সংঘটিত এই পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই রায় প্রদান করা হলো।

তাহসিফ মৃত্যু: পরিবার মামলা না করলে পুলিশ বাদী হবে

রায় ঘোষণার পর আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মুমিনুল ইসলাম মোমিন গণমাধ্যমকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর রাতে সিলেট মহানগর পুলিশের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে ধরে এনে রায়হান আহমদকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। পরবর্তীতে ১১ অক্টোবর সকালে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৫ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে, যেখানে সাব-ইন্সপেক্টর আকবরসহ মোট ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

রায়হান হত্যা মামলার রায়ে আদালত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন উল্লেখ করে পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মুমিনুল ইসলাম মোমিন জানান, বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ ও তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালত এই কঠোর শাস্তি প্রদান করেছেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রায়হান হত্যা মামলায় অন্যান্য আসামিদের সাজা ও আদালতের পর্যবেক্ষণ

আলোচিত এই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবর হোসেন ভুইয়ার মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আরও দুই পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন বরখাস্ত হওয়া সাব-ইন্সপেক্টর হারুন অর রশীদ ও টিটু চন্দ্র দাস। এছাড়া মামলার রায়ে সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর হাসান, আশেক এলাহী এবং সংবাদকর্মী নোমানকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় মামলার আসামিদের আইনি উপস্থিতি ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আদালত চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, রায় ঘোষণার দিন হেফাজতে থাকা একমাত্র আসামি পুলিশ সদস্য আশেক এলাহী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে মামলার রায় ঘোষণার সময় প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবরসহ অন্য পাঁচ আসামি পলাতক রয়েছেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে আইনগত পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে। পুলিশি হেফাজতে এই ধরনের অমানবিক নির্যাতন রোধে এই রায় সমাজে একটি কঠোর বার্তা দেবে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।