|
ঢাকা স্টোরি
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

বেনাপোল বন্দরে ৫৫ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি, সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স বাতিল

0 শেয়ার
বেনাপোল স্থলবন্দরে আটককৃত কাভার্ড ভ্যান ও জব্দ করা পণ্যের একাংশ।
বেনাপোল স্থলবন্দরে আটককৃত কাভার্ড ভ্যান ও জব্দ করা পণ্যের একাংশ।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য খালাসের সময় কাভার্ড ভ্যানসহ বিপুল পণ্য জব্দ করা হয়েছে।
  • এতে প্রায় ৫৫ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির তথ্য উদঘাটিত হয়েছে।
  • জড়িত থাকার অভিযোগে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

বেনাপোল: বেনাপোল স্থলবন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা ফ্লেভারের চালানের আড়ালে বিপুল পরিমাণ ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য খালাসের সময় প্রায় ৫৫ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা উদঘাটিত হয়েছে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে বন্দরের ১৪ নম্বর শেডের সামনে থেকে একটি কাভার্ড ভ্যানসহ এসব পণ্য জব্দ করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের লাইসেন্স চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়েছে।

গর্ভজাত সন্তান বিক্রির চেষ্টার সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রেড গ্রিন ইন্টারন্যাশনাল ভারত থেকে ২৫ প্যাকেজে ৫০০ কেজি বাটার ফ্লেভার আমদানি করে। চালানটি খালাসের দায়িত্বে ছিল বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স আহাদ এন্টারপ্রাইজ। প্রাথমিক কায়িক পরীক্ষায় ঘোষণার সঙ্গে পণ্যের মিল পাওয়ার পর পরীক্ষণ প্রতিবেদন অনুযায়ী শুল্কায়ন সম্পন্ন করা হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের গোয়েন্দা শাখা আইআরএম অভিযান চালিয়ে কাভার্ড ভ্যানটি আটক করে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার ফাইজুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘোষিত ফ্লেভারের সঙ্গে থাকা ঘোষণাবহির্ভূত পণ্যসহ কাভার্ড ভ্যানটি আটক করা হয়। এই চালানে প্রায় ৫৫ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির তথ্য পাওয়া গেছে। অপরাধের সত্যতা মেলায় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জব্দকৃত পণ্যের বিবরণ ও অনিয়মের চিত্র

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, গাড়িচালক ও বন্দরের শ্রমিকদের উপস্থিতিতে কাভার্ড ভ্যানের তালা খুলে তল্লাশি চালিয়ে ৬৭টি প্যাকেজে বিভিন্ন অবৈধ পণ্যের দীর্ঘ তালিকা পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে ২৫টি প্লাস্টিক জারে ৫০০ কেজি ফ্লেভার, ২৫ কার্টনে ১ লাখ ৯৪ হাজার পিস ডিসপোভান সিরিঞ্জ, দুই কার্টনে ১১০ দশমিক কেজি ইমিটেশন পণ্য, পাঁচ কার্টনে ৩০৩টি শাড়ি, ১৪টি ওড়না, ১০টি কামিজ, ৯টি সালোয়ার, ৩৮টি থ্রিপিস, ১৭৯টি টি-শার্ট, ১২২টি প্যান্ট এবং আটটি ড্রামে ২০০ কেজি পাউডার। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই পণ্যগুলো এর আগে বন্দরের ১২ নম্বর শেড থেকে কাভার্ড ভ্যানে তোলা হয়েছিল।

বন্দর ও কাস্টমস সূত্রে আরও জানা যায়, একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও ভুয়াDeclarations বা মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে কাস্টমস ডিউটি ফাঁকি দিয়ে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাস্টমস হাউসের পক্ষ থেকে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ চালান আটকের জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি শুল্ক ফাঁকির সঙ্গে জড়িত অন্য চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।