|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর উদ্ধার উপাচার্য, ফিরবেন না ক্যাম্পাসে

0 শেয়ার
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশি নিরাপত্তায় চুয়েট ক্যাম্পাস ছাড়ছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশি নিরাপত্তায় চুয়েট ক্যাম্পাস ছাড়ছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • সোমবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রায় ৩০ ঘণ্টা প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ ছিলেন চুয়েট উপাচার্য।
  • জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
  • শিক্ষার্থীরা শর্ত দিয়েছেন যে তিনি আর ক্যাম্পাসে ফিরতে পারবেন না।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম প্রায় ৩০ ঘণ্টা নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ থাকার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উদ্ধার হয়েছেন। সোমবার সকাল থেকে প্রশাসনিক ভবনে অবস্থান নেওয়া বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের হস্তক্ষেপে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে ক্যাম্পাস ছাড়ার আগে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কঠোর শর্ত দেওয়া হয়েছে যে, তিনি আর চুয়েট ক্যাম্পাসে ফিরতে পারবেন না।

পুরান ঢাকায় মনসুর খান প্লাজায় আগুন: অগ্নিঝুঁকির ভয়াবহ চিত্র প্রকাশ্যে

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার সকাল পৌনে ৯টায়, যখন উপাচার্য প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তিনি বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকেছেন। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ভবনের ফটকে তালা লাগিয়ে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। আন্দোলনের ২২তম দিনে এসে এই পরিস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চরম অচলাবস্থা তৈরি করে। এর মধ্যেই ক্যাম্পাসের বাইরে শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাসে হামলা ও এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। চুয়েট শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা অসহযোগ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। এদিকে, মঙ্গলবার বিকেলে উপাচার্য শারীরিক অসুস্থতার কথা জানালে জেলা প্রশাসন তাকে উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

অচলাবস্থা নিরসনে অনিশ্চয়তা

উপাচার্যকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে তাকে বের হতে দেওয়া হচ্ছে কেবল একটি শর্তে, তিনি আর চুয়েটে ফিরবেন না। শিক্ষার্থীরা তাদের মূল দাবি হিসেবে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বর্তমানে উপাচার্যকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চুয়েটের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে এবং শিক্ষক-কর্মকর্তাদের কর্মবিরতিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্বাভাবিক পরিবেশ কবে ফিরবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা।

আরও পড়ুন: সহকর্মীর সঙ্গে স্ত্রীর কথা বলায় সন্দেহ, ভারতে পালানোর সময় গ্রেপ্তার

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।