|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

সাংবাদিকদের সাইবার আইনে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব বিবেচনাধীন

0 শেয়ার
সাংবাদিকদের সাইবার আইনে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব বিবেচনাধীন
সাংবাদিকদের সাইবার আইনে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব বিবেচনাধীন
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • সাংবাদিকদের সাইবার আইনের আওতায় আনতে আদালতের অনুমতি রাখার প্রস্তাব বিবেচনা করছে সরকার।
  • মূলধারার গণমাধ্যমের বাইরে অপপ্রচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
  • সবার মতামতের ভিত্তিতে সাইবার আইনের খসড়া চূড়ান্ত করা হবে।

সাংবাদিকদের সাইবার আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে আদালতের পূর্বানুমতি নেওয়ার একটি প্রস্তাব সরকার ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন। প্রথম বাক্যেই স্পষ্ট যে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রেখেই আধুনিক ও সময়োপযোগী সাইবার আইন প্রণয়নের কাজ চলছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা চেয়েছে সংবিধান সংশোধন কমিটি

এর আগে সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং প্রস্তাবিত নতুন সাইবার আইন নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষার বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেন। তারই ধারাবাহিকতায় সরকারের পক্ষ থেকে এই ইতিবাচক প্রতিশ্রুতির কথা জানানো হলো, যা দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে পারে।

বৈঠক শেষে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, সরকার কখনোই গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না। বরং পেশাদার সাংবাদিকরা যাতে স্বাধীন ও নির্ভয়ে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর সরকার। প্রতিমন্ত্রী এ সময় বলেন,

সাংবাদিকরা যাতে অবাধে কাজ করতে পারেন, বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই সাইবার আইন প্রণয়ন করা হবে। ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট বা নিবন্ধিত অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের আইনের আওতায় আনতে হলে আদালতের অনুমতি নেওয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

অপপ্রচার রোধ ও এআইয়ের অপব্যবহার নিয়ে কঠোর অবস্থান

মূলধারার গণমাধ্যমের বাইরে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ভুয়া পোর্টাল থেকে অপতথ্য, মিসইনফরমেশন ও ডিজইনফরমেশন ছড়ানোর বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব পায়। প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, অনেক সময় সাংবাদিক পরিচয়ে মূলধারার গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত নন এমন ব্যক্তিরা নানা অসত্য প্রচার চালিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের অপব্যবহার করে ভুয়া কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিকে হেয় প্রতিপন্ন করার ঘটনাও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এসব অপরাধ রোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের ওপর জোর দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

বর্তমানে সাইবার আইন প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত করার আগে অংশীজনদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক চলছে। সাংবাদিক নেতা, সম্পাদক, আইন বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সুনির্দিষ্ট মতামত নিয়ে এই আইনের খসড়া তৈরি করা হবে বলে জানানো হয়েছে। সবার সম্মিলিত মতামতের ভিত্তিতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ আইন প্রণীত হলে একদিকে যেমন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা পাবে, অন্যদিকে ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।