|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্র হত্যা: চার ছাত্রসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

0 শেয়ার
খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্র হত্যা: চার ছাত্রসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্র হত্যা: চার ছাত্রসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • খুলনায় চুরির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্র আজমুল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
  • নিহতের বাবা বাদী হয়ে চার শিক্ষার্থীসহ অজ্ঞাত ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
  • এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

খুলনা: চুরির অভিযোগ তুলে খুলনায় নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. আজমুল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় চার ছাত্রসহ অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে নিহত আজমুলের বাবা মো. কুতুব উদ্দিন খুলনার হরিণটানা থানায় এই মামলা করেন। হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে এখন পর্যন্ত পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

আখাউড়া সীমান্তে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

নিহত আজমুল হোসেন চুয়াডাঙ্গার দর্শনার বড় শলুয়া গ্রামের কুতুব উদ্দিনের ছেলে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী আবাসিক হলের পেছনের ইসলামনগর সড়কের মসজিদ গলির একটি মেসে থাকতেন। গত শুক্রবার রাতে চুরির অভিযোগ তুলে আজমুলকে মেসের ছাদে নিয়ে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তিনি সেখান থেকে নিচে পড়ে যান বলে আশপাশের ছাত্রদের ভাষ্য। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল রাতেই নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিহতের বাবা কুতুব উদ্দিন হাসপাতালে সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার রাত একটার দিকে কয়েকজন ছেলে তাঁকে ফোন করে দাবি করেন যে তাঁর ছেলে জিনিসপত্র চুরি করেছে এবং এখনই এক লাখ টাকা চাঁদা বা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এরপর তিনি খুলনা এসে প্রথমে মেসে যান এবং সেখান থেকে হাসপাতালে গিয়ে ছেলের লাশ দেখতে পান। মেসের পাশের এক নারী প্রত্যক্ষদর্শী জানান, শুক্রবার রাতে খাবার বা মিল খাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে কয়েকজন ছাত্র ও বহিরাগত মিলে আজমুলকে ছাদে নিয়ে নির্যাতন করেন। দিবাগত রাত একটার দিকে তিনি চিৎকারের শব্দ ও ছাদ থেকে কিছু পড়ে যাওয়ার শব্দ পান।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ ও পুলিশের তদন্ত

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজমুল যে মেসে থাকতেন, সেই ভবনে ৬০ থেকে ৭০ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করতেন। অনেকের সঙ্গেই তাঁর অভ্যন্তরীণ বিরোধ ছিল এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় জামা ও গেঞ্জি চুরির অভিযোগ তুলেছিলেন সহপাঠীরা। হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা অন্য কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওসি ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে যত প্রভাবশালী বা যতজনই জড়িত থাকুক না কেন, সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: কুবি শিক্ষকের ছেলে হত্যা: বিচারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

বর্তমানে পুরো মেস এলাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সহপাঠী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আসামিদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং খুব দ্রুতই প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।