|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

নোয়াখালীতে ঘুমন্ত ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাতে খুন, আটক ২

0 শেয়ার
নোয়াখালী সদর উপজেলায় হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত করছে পুলিশ।
নোয়াখালী সদর উপজেলায় হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত করছে পুলিশ।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • নোয়াখালী সদর উপজেলায় কামাল উদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।
  • ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের সাবেক স্ত্রী ও শাশুড়িকে আটক করেছে পুলিশ।
  • পুলিশ জানিয়েছে, বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

নোয়াখালী: নোয়াখালী সদর উপজেলায় কামাল উদ্দিন (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে পিটুনির পর ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নোয়ান্নই ইউনিয়নের দুর্গানগর গ্রাম থেকে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পারিবারিক বিরোধ ও পূর্বের মারধরের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ ঘটনায় নিহতের সাবেক স্ত্রী ও শাশুড়িকে আটক করা হয়েছে।

রাতের কুমিল্লায় অটোরিকশায় ফাঁদ, বাসায় ফেরাই ঝুঁকিপূর্ণ

নিহত কামাল উদ্দিন সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের চরমাজীর এরশাদ কলোনির মৃত ওহিদুর রহমানের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে চার-পাঁচ বছর আগে কামাল উদ্দিন ও তানিয়া আক্তারের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পরও কামাল উদ্দিন সাবেক স্ত্রীর আশপাশে ঘোরাফেরা করতেন এবং বিরক্ত করতেন। গত শনিবার রাতে তানিয়ার বাবা আমির হোসেনকে মাদ্রাসার মাঠে একা পেয়ে মারধর করেন কামাল উদ্দিন। এই ঘটনার ক্ষোভে তানিয়া, তাঁর ভাই মোহাম্মদ আকাশ ও মা কবরী বেগম মিলে কামাল উদ্দিনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে কর্মস্থল শেষে বাড়িতে ফেরার পর আকাশ, তানিয়া ও কবরী বেগম কামাল উদ্দিনকে খুঁজতে শুরু করেন। রবিবার রাত ১০টার দিকে একটি পুকুরপাড়ে ঘুমন্ত অবস্থায় কামাল উদ্দিনকে পেয়ে তাঁরা এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকেন। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে তাঁর মাথায়, বুকে, হাতে ও পিঠে আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার পর পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

পুলিশের বক্তব্য ও আইনি পদক্ষেপ

সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইদ্রিস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, রক্তমাখা বালু ও মুঠোফোনসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করে। পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে তানিয়া আক্তার ও তাঁর মা কবরী বেগমকে আটক করা হয়েছে। মোহাম্মদ আকাশ, ফোরকানসহ অন্যদের আটক করতে অভিযান চলমান। নিহত কামাল উদ্দিনের পরিবারের অভিযোগের আলোকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।