সদ্য সমাপ্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেই পরম শ্রদ্ধায় ও ভালোবাসায় বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী। সরকারি বিশেষ বিমানে করে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তিনি সরাসরি ধানমন্ডি ও বনানীতে ছুটে যান। সেখানে তিনি তাঁর মরহুম পিতা (জাতির পিতা), মাতা এবং পরিবারের অন্যান্য শহীদ সদস্যদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও জিয়ারত সম্পন্ন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ও জিয়ারতকালে তাঁর সাথে পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্য এবং সরকারের কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
বিমানবন্দর থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁর পিতা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের স্মৃতিবিজড়িত স্থানে পৌঁছান।
শ্রদ্ধাঞ্জলি ও জিয়ারত: তিনি গভীর শ্রদ্ধাভরে তাঁর বাবা-মায়ের কবরের পাশে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
বিশেষ মোনাজাত: পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাত্রিতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া পিতা-মাতা, ভাইসহ সকল শহীদদের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে হাত তুলে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া করেন।
পারিবারিক বন্ধন: দীর্ঘ সফর ক্লান্তি সত্ত্বেও দেশে ফিরেই সর্বাগ্রে বাবা-মায়ের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং দোয়ায় শরিক হওয়া প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের এক গভীর পারিবারিক ও মানসিক রেওয়াজ, যা আরও একবার প্রতিফলিত হলো।
প্রধানমন্ত্রীর এই ঝটিকা জিয়ারত শেষে তিনি তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন, যেখানে দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁকে স্বাগত জানান।
মন্তব্য করুন