|
ঢাকা স্টোরি
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

বিশ্বের ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ ৪৫তম

0 শেয়ার
বৈশ্বিক ঋণ বৃদ্ধি ও অর্থনীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন।
বৈশ্বিক ঋণ বৃদ্ধি ও অর্থনীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • চলتی বছরের প্রথমার্ধে বৈশ্বিক ঋণ ১০ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়ে ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
  • সরকারি ঋণের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে এবং বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম।
  • বিপুল পরিমাণ ঋণ ও সুদ পরিশোধের চাপে বিশ্বজুড়ে সরকারি ব্যয় ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা সংকুচিত হচ্ছে।

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বিশ্বজুড়ে সরকারি, বেসরকারি ও ব্যক্তিগত ঋণের পরিমাণ ১০ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়ে ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সের (আইআইএফ) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এই ঋণের পাহাড় বৃদ্ধির পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সুদ পরিশোধের চাপও। এর ফলে বিভিন্ন দেশের সরকারি বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর মতো জনগুরুত্বপূর্ণ খাতের ব্যয় সঙ্কুচিত হয়ে পড়ছে। বৈশ্বিক এই অর্থনৈতিক তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করলেও বাংলাদেশ রয়েছে ৪৫তম অবস্থানে।

শীতের সবজিতে বাজার নিম্নমুখী, তবুও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের মনে

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিপুল পরিমাণ ঋণ গ্রহণের কারণে উন্নত ও উন্নয়নশীল উভয় অর্থনীতিতেই সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। ঋণের সুদ মেটাতে সরকারের অর্থের বড় অংশ চলে যাওয়ায় জনসেবামূলক খাতে অর্থায়ন ব্যাহত হচ্ছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতির কারণে মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও ইতালির মতো দেশগুলোতে এই অর্থনৈতিক চাপের কারণে বিক্ষোভ ও সামাজিক অসন্তোষের ঘটনাও ঘটছে। বিশেষ করে ফ্রান্সে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ নেওয়ার খরচ ২০০২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বিশ্বজুড়ে ঋণের এই চিত্র দেখাচ্ছে যে, ঋণ গ্রহণ কেবল অর্থ সংগ্রহের বিষয় নয়, বরং তা পরিশোধের সক্ষমতা ও বাজেট ব্যবস্থাপনা বজায় রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

শীর্ষ ঋণগ্রস্ত দেশ ও বাংলাদেশের অবস্থান

সরকারি ঋণের মোট পরিমাণের দিক থেকে বিশ্বে সবার ওপরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির মোট সরকারি ঋণ ৪১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১২৭ শতাংশ। তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীনের সরকারি ঋণ ২২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার বা জিডিপির ১০৪ শতাংশ। এছাড়া জাপান, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং ইতালির মতো বড় অর্থনীতিগুলোও বিশাল অঙ্কের ঋণের ভারে জর্জরিত। এর বিপরীতে, বৈশ্বিক ঋণের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম। প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ ২০৪.৯ বিলিয়ন ডলার, যা গত দেড় দশকে প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে অর্থনীতির সামগ্রিক আকারের সঙ্গে তুলনা করলে বাংলাদেশের ঋণ-জিডিপি অনুপাত প্রায় ৪০ শতাংশ, যা অনেক উন্নত অর্থনীতির তুলনায় যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন: টান ৭৫ বছর ছাঁটাই ছাড়াই ব্যবসা সফল আমেরিকার এই কোম্পানি!

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঋণের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি সুদ পরিশোধের ব্যয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তা শেষ পর্যন্ত দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। উন্নত অর্থনীতির দেশগুলো কেবল সরকারি বন্ডের সুদ বাবদ বছরে ৩.৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি পরিশোধ করছে, যা সামরিক বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো খাতে বৈশ্বিক বিনিয়োগের চেয়েও বেশি। এই প্রেক্ষাপটে সরকারগুলোকে ঋণ ব্যবস্থাপনা ও সুদের ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আরও বেশি সতর্ক হওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।