|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

উত্তরায় সড়কের অবস্থান ছাড়লেন পোশাক শ্রমিকরা, যান চলাচল স্বাভাবিক

0 শেয়ার
উত্তরায় সড়ক ছেড়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়
উত্তরায় সড়ক ছেড়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • বকেয়া বেতন ও মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে উত্তরায় সড়ক অবরোধ করেছিলেন পোশাক শ্রমিকরা।
  • পুলিশের হস্তক্ষেপে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তারা মহাসড়ক ছেড়ে চলে যান।
  • বর্তমানে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।

বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে রাজধানীর উত্তরা আজমপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ করা পোশাক কারখানার শ্রমিকরা অবস্থান ছেড়ে চলে গেছেন। ফলে দীর্ঘ দুই ঘণ্টা পর এই গুরুত্বপূর্ণ রুটে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যা দুপুরের পর পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলে স্বাভাবিক হয়।

সাবেক ডিএমপি কমিশনার ফারুক ও স্ত্রীর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, বাসাভাড়া, চিকিৎসা এবং সন্তানদের পড়াশোনার খরচ বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান বেতনে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ায় শ্রমিকরা আন্দোলনে নামেন। সকাল থেকেই তারা উত্তরার আজমপুর ও এর আশপাশের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এর ফলে টঙ্গী স্টেশন রোড থেকে বিএনএস সেন্টার এবং খিলক্ষেত থেকে আজমপুর পর্যন্ত দীর্ঘ এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যার কারণে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পুলিশ অ্যাকশনে যায় এবং লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। পুলিশের কঠোর অবস্থানের মুখে বিক্ষোভকারীরা মহাসড়ক থেকে সরে যেতে বাধ্য হন। এরপরই ধীরে ধীরে পরিস্থিতি শান্ত হতে শুরু করে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর প্রশাসনের বক্তব্য

ঘটনার বিষয়ে ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে জানান, আন্দোলনরত শ্রমিকরা আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে সড়কের অবস্থান ছেড়ে চলে যান। "বর্তমানে এই সড়কে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে," বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

বিশ্লেষকদের মতে, পোশাক খাতের শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে তাদের নায্য দাবিগুলো নিয়মিত পর্যালোচনা করা না হলে এ ধরণের অসন্তোষের পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কারখানা মালিকদের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।