|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

উত্তরায় ৪ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ পোশাকশ্রমিকদের, ধাওয়া দিয়ে সরাল পুলিশ

0 শেয়ার
বকেয়া বেতন ও মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে উত্তরার আজমপুর সড়কে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও যান চলাচল বন্ধের দৃশ্য।
বকেয়া বেতন ও মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে উত্তরার আজমপুর সড়কে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও যান চলাচল বন্ধের দৃশ্য।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • বকেয়া বেতন ও বিভিন্ন দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তরার আজমপুর সড়ক অবরোধ করেন পোশাকশ্রমিকেরা।
  • টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা অবরোধের পর পুলিশ ধাওয়া দিয়ে ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে শ্রমিকদের সরিয়ে দেয়।
  • পুলিশের হস্তক্ষেপে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল শুরু হয়।

রাজধানীর উত্তরার আজমপুর সড়ক প্রায় চার ঘণ্টা অবরোধ করে রাখার পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পোশাকশ্রমিকদের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। সকাল সাড়ে আটটা থেকে বকেয়া বেতন ও মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে পোশাকশ্রমিকেরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নেওয়ায় এই এলাকার উভয়মুখী যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রাজধানীজুড়ে তীব্র যানজট ও চরম জনভোগান্তির সৃষ্টি হয়।

বিকল্প রুটে বাড়তি খরচে কর্মস্থলে ফিরছেন সৌদি প্রবাসীরা

গত তিন দিন ধরে টানা এই আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন শ্রমিকেরা। বিশেষ করে মঙ্গল ও বুধবারও একই দাবিতে তাঁরা বিক্ষোভ করেছিলেন। আজকের অবরোধের কারণে আজমপুর ও রাজলক্ষ্মীসংলগ্ন এলাকায় যানবাহন চলাচল পুরোপুরি থমকে যায়। উত্তরা থেকে বিমানবন্দর সড়ক পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হওয়ায় অফিসগামী মানুষ ও সাধারণ যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়েন।

পরিস্থিতੀ নিয়ন্ত্রণে আসার পর উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদ মনসুর গণমাধ্যমকে জানান, পোশাকশ্রমিকেরা দীর্ঘ সময় ধরে সড়ক অবরোধ করে রাখায় জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল। বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তাঁরা রাস্তা ছেড়ে যাননি। বাধ্য হয়ে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে তাঁদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

"অনুরোধের পরও শ্রমিকেরা রাস্তা থেকে সরে না যাওয়ায় ধাওয়া দিয়ে ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে তাঁদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাস্তায় যান চলাচল শুরু হয়।" - খালিদ মনসুর, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), উত্তরা পশ্চিম থানা।

শ্রমিক অসন্তোষের নেপথ্য কারণ ও বর্তমান পরিস্থিতি

আন্দোলনরত শ্রমিক আখতার হোসেনের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদরের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমান বেতনে জীবন ধারণ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বকেয়া পরিশোধ ও বেতন বাড়ানোর দাবি জানানো হলেও কোনো কার্যকর সুরাহা না পাওয়ায় তাঁরা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন। পুলিশি হস্তক্ষেপে সড়ক ফাঁকা হওয়ার পর বর্তমানে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সীমিত পরিসরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। তবে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে যাতে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়।

এ ধরনের শ্রমিক অসন্তোষ অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কারখানা মালিকপক্ষ দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে বকেয়া ও অন্যান্য দাবি মীমাংসা না করলে সামনে এই ধরনের পরিস্থিতি পুনরায় তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।