|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

ফিফার ৩০৫ কোটি টাকার বিশাল আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব পেল বাফুফে

0 শেয়ার
ফিফার লোগো এবং ফুটবল ম্যাচ পরিচালনার একটি ফাইল ছবি
ফিফার লোগো এবং ফুটবল ম্যাচ পরিচালনার একটি ফাইল ছবি
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ফিফা ২০২৭ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত প্রতিটি সদস্যদেশকে আড়াই কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩০৫ কোটি টাকা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
  • প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বাফুফেও এই অর্থ পাবে।
  • আগামী ডিসেম্বরে ফিফা কাউন্সিলে আর্থিক পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিশ্ব ফুটবলের উন্নয়নে সদস্যদেশগুলোর জন্য আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ফিফা। ২০২৭ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত চার বছরে প্রতিটি সদস্যদেশের ফুটবল ফেডারেশনকে আড়াই কোটি মার্কিন ডলার করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩০৫ কোটি টাকা। এই প্রস্তাব অনুমোদিত হলে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বাফুফেও এই অর্থ পাবে, যা দেশের ফুটবলের অবকাঠামো ও সামগ্রিক উন্নয়নে ব্যবহার করা যাবে।

সাত ম্যাচে সাত জয়, তবু ইউএফসি ছাড়তে হলো ফরিদ বাশারাতকে

বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী চার বছরে ফুটবলের উন্নয়নে সদস্য সংস্থা, মহাদেশীয় কনফেডারেশন ও অন্যান্য অংশীজনের জন্য মোট ৬৩৫ কোটি মার্কিন ডলার বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে ফিফা। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৭৭ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা। ২১১টি সদস্যদেশের ফুটবল উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে এর আগে চার বছরের জন্য ১ কোটি ডলার দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে ফেডারেশনগুলোর জন্য বরাদ্দ আড়াই গুণ বৃদ্ধি পাবে।

ফিফার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৪৮ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের বাণিজ্যিক সাফল্য থেকে পাওয়া অর্থ ফুটবলের উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে। এ জন্য ফিফার আর্থিক সঞ্চয় থেকে ৩৫০ কোটি ডলারের বেশি বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ছয়টি মহাদেশীয় ফুটবল কনফেডারেশনের প্রতিটিকে ৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার করে দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

বাফুফের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার

এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে বাফুফের হাতে দেশের ফুটবলের উন্নয়নে ব্যয় করার জন্য বড় অঙ্কের অর্থ আসবে। দেশের ফুটবলের অবকাঠামো উন্নয়ন, বয়সভিত্তিক দল গঠন ও পরিচর্যা, তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবল ছড়িয়ে দেওয়া এবং নারী ফুটবলের উন্নয়নের মতো খাতগুলোতে এই অর্থ কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হবে। তবে অর্থ কোন কোন খাতে কীভাবে ব্যয় করা হবে, তা পুরোপুরি নির্ভর করবে ফিফার বরাদ্দ ও ব্যবহারের নীতিমালা এবং বাফুফের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার ওপর। নতুন অর্থায়ন পরিকল্পনায় নারী ও যুব ফুটবলের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

আগামী ডিসেম্বরে ফিফা কাউন্সিলে এই আর্থিক পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে। এরপর ২০২৭ সালের মার্চে ফিফার ৭৭তম কংগ্রেসে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এটি উপস্থাপন করা হবে। এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা সফল হলে তা বিশ্ব ফুটবলের পাশাপাশি বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনেও দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।