|
ঢাকা স্টোরি
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

ধৈর্যই মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি

0 শেয়ার
আন নাবা
আন নাবা
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • বিপদে ভেঙে না পড়ে ধৈর্য ধরাই ঈমানের পরীক্ষা।
  • কুরআন বলেছে, আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।
  • ধৈর্য কীভাবে জীবন বদলে দেয়, জানুন।
জীবনে বিপদ আসবেই। অসুস্থতা, অভাব, প্রিয়জনের বিচ্ছেদ, কাজের চাপ, এসব থেকে কেউ মুক্ত নয়। প্রশ্ন হলো, বিপদের মুখে মানুষ কী করে। কেউ ভেঙে পড়ে, কেউ রাগে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়, আর কেউ ধৈর্য ধরে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখে। ইসলাম বলে, এই ধৈর্যই মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি।

কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন। এই একটা বাক্যই একজন মুমিনের জন্য যথেষ্ট। যার সঙ্গে আল্লাহ আছেন, তার আর কী লাগে। ধৈর্য মানে হাত গুটিয়ে বসে থাকা নয়। ধৈর্য মানে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া, রাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা, আর ফলাফল আল্লাহর হাতে ছেড়ে দেওয়া।

নবীজির (সা.) জীবনে ধৈর্যের অসংখ্য উদাহরণ আছে। তায়েফের মানুষ যখন তাকে প্রত্যাখ্যান করল আর কষ্ট দিল, তখনও তিনি তাদের জন্য বদদোয়া করেননি, বরং তাদের হেদায়েতের জন্য দোয়া করেছেন। মক্কায় বছরের পর বছর অত্যাচার সহ্য করেও তিনি সত্যের পথ ছাড়েননি। এই ধৈর্যের কারণেই শেষ পর্যন্ত সত্য জয়ী হয়েছে।

ধৈর্যের সঙ্গে কৃতজ্ঞতার গভীর সম্পর্ক আছে। বিপদে ধৈর্য ধরা আর নিয়ামতে শুকরিয়া আদায় করা, এই দুটো মিলেই মুমিনের জীবন। যে মানুষ শুধু সুখের সময় আল্লাহকে মনে রাখে আর দুঃখের সময় ভুলে যায়, তার ঈমান এখনো পূর্ণ হয়নি। আর যে দুঃখেও বলে আলহামদুলিল্লাহ, সে আসলে বুঝেছে দুনিয়ার জীবন একটা পরীক্ষা।

পরিবারে ধৈর্য দরকার প্রতিদিন। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হলে সঙ্গে সঙ্গে কঠিন কথা না বলে একটু থামা, সন্তানের ভুলে রাগ না করে বুঝিয়ে বলা, বাবা মায়ের বারবার বলা কথা ধৈর্য ধরে শোনা। এসব ছোট ছোট ধৈর্যই পরিবারকে টিকিয়ে রাখে।

কাজের জায়গায়ও ধৈর্য ছাড়া সফলতা আসে না। ব্যবসায় লোকসান হলে হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেওয়া সমাধান নয়। চাকরিতে চাপ বাড়লে রাগ করে চাকরি ছাড়া সমাধান নয়। ধৈর্য ধরে চেষ্টা চালিয়ে গেলে দরজা খোলে, অনেক সময় এমন দিক থেকে যা মানুষ কল্পনাও করেনি।

অসুস্থতায় ধৈর্য আরও কঠিন পরীক্ষা। শরীরের কষ্টের সঙ্গে মনের কষ্ট মিলে মানুষকে দুর্বল করে দেয়। তখন নামাজ, দোয়া আর আল্লাহর স্মরণই মনের শক্তি জোগায়। অসুস্থতা মুমিনের গুনাহ মোচনের মাধ্যমও হতে পারে, এই বিশ্বাস মানুষকে ভেঙে পড়তে দেয় না।

ধৈর্য চর্চা করা যায় প্রতিদিনের ছোট অভ্যাসে। রাগ উঠলে সঙ্গে সঙ্গে জবাব না দিয়ে চুপ থাকা, নামাজে মনোযোগ দেওয়া, কষ্টের সময় দোয়া করা। ধৈর্য একদিনে আসে না, এটা ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে, যেমন পেশি ব্যায়ামে শক্ত হয়।

আজকের এই পোস্ট থেকে একটা কথাই মনে রাখা যায়, বিপদ যত বড়ই হোক, ধৈর্য ধরলে আল্লাহ পাশে থাকেন। আর যার পাশে আল্লাহ আছেন, তার হারানোর কিছু নেই।
মা বাবার সেবাতেই জান্নাতের পথ
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।