|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

গাজার ধ্বংসলীলা নিয়ে জোলির আকুতি, অবিলম্বে সহায়তার আহ্বান

0 শেয়ার
গাজার ধ্বংসলীলা ও মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট দিয়েছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।
গাজার ধ্বংসলীলা ও মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট দিয়েছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম / অ্যাঞ্জেলিনা জোলি
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • গুগল আর্থের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে গাজার ধ্বংসযজ্ঞ তুলে ধরেছেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।
  • শীত আসার আগে গাজার লাখো মানুষের জন্য জরুরি আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
  • জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গাজার প্রায় ৯৪ শতাংশ বাসিন্দারই বর্তমানে সহায়তা প্রয়োজন।

হলিউডের প্রখ্যাত অভিনেত্রী ও মানবধিকারকর্মী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি স্যাটেলাইট ছবির মাধ্যমে গাজার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেছেন যে, পুরো জনপদ এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। শনিবার ইনস্টাগ্রামে গুগল আর্থের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি এই মর্মান্তিক চিত্র সামনে আনেন এবং শীতের আগেই গাজার সাধারণ মানুষের জন্য জরুরি আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার জোরালো আহ্বান জানান।

সাহিত্যে নোবেল ২০২৫: এবার কি পুরস্কার জিতবেন কোনো নারী লেখক?

প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে গাজার বহু এলাকার অবকাঠামো পুরোপুরি মুছে যাওয়ার দৃশ্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের আগে ও পরের এই তুলনামূলক ছবিতে ঘরবাড়ি, স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, সড়ক এবং পানি ও পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থার ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ দেখা গেছে। জাতিসংঘের স্যাটেলাইট কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ জুন পর্যন্ত গাজার ৮২ শতাংশ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তাঁর পোস্টে লিখেছেন, এখন গুগল আর্থ খুললেই দেখা যাচ্ছে গাজায় কী করা হয়েছে। পুরো জনপদ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মানুষ ও তাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সব অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে।

শীতের আগে গাজার মানবিক সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা

শীত ঘনিয়ে আসায় গাজার অবরুদ্ধ মানুষের দুর্দশা আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জোলি। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গাজার ১৯ লাখ ৮০ হাজার মানুষের জন্য জরুরি আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী দরকার। অর্থাৎ বর্তমান পরিস্থিতিতে গাজার প্রায় ৯৪ শতাংশ বাসিন্দারই প্রত্যক্ষ মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। তবে ত্রাণ ও আশ্রয় তৈরির প্রয়োজনীয় উপকরণ গাজায় পৌঁছাতে এখনো নানা ধরনের বাধা ও দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

জোলি আরও উল্লেখ করেছেন যে স্যাটেলাইট ছবিতে ধ্বংসযজ্ঞের কেবল বাহ্যিক রূপটিই ফুটে ওঠে, কিন্তু ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া মানুষের জীবন, নিহত পরিবারগুলোর পরিণতি কিংবা বেঁচে থাকা মানুষগুলোর অবর্ণনীয় কষ্ট এই ছবির মাধ্যমে পুরোপুরি অনুধাবন করা সম্ভব নয়। তাই অবিলম্বে বেসামরিক মানুষের কাছে চিকিৎসাসামগ্রীসহ সব ধরনের মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং ফিলিস্তিনিদের জনপদ পুনর্গঠনের সুযোগ দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তিনি জোরালো আহ্বান জানান। দুই দশকের বেশি সময় ধরে শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করা এই অভিনেত্রী এর আগেও গাজার সংকট নিয়ে একাধিকবার বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।