|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

প্রাইভেট হাসপাতালে রোগী দেখার সময় দৌড়ে পালালেন সরকারি চিকিৎসক

0 শেয়ার
প্রাইভেট হাসপাতালে রোগী দেখার সময় দৌড়ে পালালেন সরকারি চিকিৎসক
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে অফিস ফাঁকি দিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার সময় সাংবাদিকদের দেখে দৌড়ে পালালেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের চিকিৎসক ডা. ইনজামাম।
  • বিস্তারিত জানুন।

সরকারি হাসপাতালের কর্মঘণ্টা ফাঁকি দিয়ে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্র্যাকটিস করার সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়েছেন এক সরকারি চিকিৎসক। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আরামবাগ মোড়ে অবস্থিত ‘চাঁপাই অ্যাপোলো হাসপাতালে’ এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত চিকিৎসকের নাম ডা. ইনজামাম উল হক, যিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভটভটি উল্টে বাবা-ছেলেসহ নিহত ৩, আহত ৮

স্থানীয় ও গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ডা. ইনজামাম উল হক দীর্ঘদিন ধরে অফিস চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রামসহ রোগী দেখার কাজ করে আসছিলেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী ওই দিন সকাল থেকেই সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ‘চাঁপাই অ্যাপোলো হাসপাতালে’ অবস্থান নেন। একপর্যায়ে দুপুর ১২টার দিকে এক ব্যক্তিকে ভুয়া রোগী সাজিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে এক হাজার টাকা ফি দিয়ে আল্ট্রাসনোগ্রামের সিরিয়াল নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন তাঁরা।

প্রায় এক ঘণ্টা পর দুপুর ১টার দিকে মোটরসাইকেলে চড়ে ওই হাসপাতালে আসেন ডা. ইনজামাম। তিনি আল্ট্রাসনোগ্রাম রুমে ঢুকে কাজ শুরু করতেই সাংবাদিকরা ভেতরে প্রবেশ করে ভিডিও ধারণ শুরু করেন। ক্যামেরা দেখামাত্রই ওই কক্ষ থেকে দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যান এই চিকিৎসক। পালিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকরা পিছু নিলে তিনি দাবি করেন, তিনি সেখানে নামাজ পড়তে এসেছিলেন। তবে জোহরের আজানের সময় প্রাইভেট ক্লিনিকের আল্ট্রাসনোগ্রাম কক্ষে তাঁর কী কাজ এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে এক পথচারী বলেন, “আমরা সরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা পাচ্ছি না। সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার এখানে এসে চিকিৎসা করছে টাকার জন্য। তাহলে আমরা কোথায় যাব, কোথায় চিকিৎসা পাব?”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীন জানান, ডা. ইনজামাম সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তাঁর সঙ্গেই দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এরপরের বিষয়ের দায়ভার তাঁর নয়। তিনি আরও বলেন, অফিস চলাকালে বাইরে প্র্যাকটিস করাটা কারও পক্ষেই সমীচীন নয়। তদন্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং একটি লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।