সংক্ষেপে মূল তথ্য
- অনিয়মিত জীবনযাপন, অফিসের চাপ আর মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার নগরবাসীর ঘুম কেড়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
- ঘুমের সমস্যা এখন শহরের প্রায় প্রতিটি ঘরের চেনা অভিযোগ।
- অথচ ভালো ঘুম ছাড়া সুস্থ শরীর আর সতেজ মন দুটোই অসম্ভব।
অনিয়মিত জীবনযাপন, অফিসের চাপ আর মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার নগরবাসীর ঘুম কেড়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ঘুমের সমস্যা এখন শহরের প্রায় প্রতিটি ঘরের চেনা অভিযোগ। অথচ ভালো ঘুম ছাড়া সুস্থ শরীর আর সতেজ মন দুটোই অসম্ভব।
ঘুম বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম দরকার। তবে শুধু ঘণ্টা গুনলেই হবে না, ঘুমের মানও ভালো হতে হবে। কয়েকটি সহজ অভ্যাস বদলালেই ঘুমের মান অনেকটা ভালো করা যায় বলে পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
প্রথম পরামর্শ হলো প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া আর একই সময়ে ওঠা। ছুটির দিনেও এই রুটিন ভাঙা উচিত নয়। শরীরের ভেতরে থাকা জৈবিক ঘড়ি নিয়মিত রুটিনে ঠিক থাকে।
দ্বিতীয়ত, ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল ও ল্যাপটপ দূরে রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। স্ক্রিনের নীল আলো মস্তিষ্ককে জাগিয়ে রাখে। এর বদলে বই পড়া বা হালকা গান শোনা যেতে পারে।
তৃতীয়ত, সন্ধ্যার পর চা কফি এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। ক্যাফেইন শরীরে অনেকক্ষণ থাকে, যা রাতে ঘুম ভাঙার বড় কারণ।
শোবার ঘর ঠান্ডা, অন্ধকার ও নিরিবিলি রাখার পরামর্শও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। হালকা ঠান্ডা ঘরে ঘুম ভালো হয়।
দিনে অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়ামের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে ঘুমানোর ঠিক আগে ভারী ব্যায়াম না করাই ভালো।
রাতে ভারী খাবার না খেয়ে ঘুমানোর ২ থেকে ৩ ঘণ্টা আগে হালকা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।
বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, ঘুম কোনো বিলাসিতা নয়, এটি শরীরের মেরামতির সময়।