
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী পাটুয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ পর্যটকের পরিচয় শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষা শুরু হয়েছে। মরদেহগুলো আগুনে মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় চেহারা দেখে শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির আশ্রয় নিয়েছে প্রশাসন। পরিচয় শনাক্তের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
গত ১৮ অক্টোবর কক্সবাজার সদর হাসপাতালের হিমঘরে রাখা ১০টি মরদেহ থেকে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর নমুনাগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উখিয়া থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমন ঘোষ জানান, নমুনাগুলো পরীক্ষার জন্য ঢাকার মালিবাগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পরই মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হবে।
মরদেহ থেকে সংগ্রহ করা নমুনা পরীক্ষা করেই পরিচয় নিশ্চিত করা যাবে না। মরদেহের নিকটাত্মীয়দের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে সেগুলো মিলিয়ে দেখা হবে। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। - সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল, আরএমও, কক্সবাজার সদর হাসপাতাল।
অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা রিয়াজ মাহমুদ রিপনের পরিবারের ছয় সদস্য রয়েছেন। রিপন জানান, তার পরিবারের চার সদস্য ইতোমধ্যে সিআইডি কার্যালয়ে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছেন। দ্রুত পরীক্ষার কাজ শেষ করে মরদেহ হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ঘটনার সার্বিক বিষয় তদন্তে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে স্বজনরা পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি
মন্তব্য করুন
ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।