|
ঢাকা স্টোরি
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

ধর্ম দেখে কেউ আন্দোলন করেনি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

0 শেয়ার
চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জের জে এম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জের জে এম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়, দেশের সব মানুষের পরিচয় কেবল বাংলাদেশি।
  • মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জের জে এম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
  • মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই অভ্যুত্থানে ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি বলে জানান তিনি।

ঢাকা: সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়, দেশের সব মানুষের প্রধান পরিচয় তারা বাংলাদেশি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গণতন্ত্র রক্ষার দীর্ঘ আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে মানুষের কোনো ধরনের ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি। দেশের প্রতিটি অর্জনে সব ধর্ম ও মতের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিয়েছেন।

সাজেক ভ্যালি ভ্রমণে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা, ছাড়তে হবে বৃহস্পতিবারের মধ্যে

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জের ঐতিহাসিক জে এম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই কথা বলেন। এ সময় তিনি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের বিভিন্ন ঐতিহাসিক মুহূর্তের কথা স্মরণ করেন এবং জাতীয় ঐক্যের ওপর বিশেষ জোর দেন।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের মাঠে শতসহস্র লাখো মানুষ অংশ নিয়েছিলেন এবং বহু মানুষ শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেনি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিষ্টান। সবার একটাই লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনেও ছাত্র-জনতা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা রাজপথে নেমেছেন, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কোনো ভেদাভেদ ছিল না।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জুলাই অভ্যুত্থান ও জাতীয় ঐক্য

২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসের গণ-অভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, মাত্র কিছুদিন আগেও দেশের ছাত্র-জনতা এক স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। লাখ লাখ মানুষ সেদিন রাজপথে নেমে এসেছিলেন। স্বৈরাচার যখন গুলি চালিয়েছিল, তখন কেউ জিজ্ঞেস করেনি গুলিবিদ্ধ মানুষটি কোন ধর্মের। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরাও ধর্ম জানতে চাননি, বরং মানবতার টানে চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন।

বর্তমান সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র কাজ করছে। ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টকারী যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আগামী দিনেও দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক ধারা রক্ষায় সব নাগরিককে ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।