লর্ডসের ঐতিহাসিক মাঠে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের লড়াইয়ে জয় পাওয়া হলো না বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের। বাঁচা-মরার ম্যাচে প্রোটিয়াদের বোলিং তোপের মুখে পড়ে ১১৭ রানেই আটকে গিয়েছিল টাইগ্রেসরা। শেষ পর্যন্ত ৪ বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেটের জয়ে মাঠ ছাড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা।
টপ অর্ডার ব্যর্থতা ও সোবহানার লড়াই টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শুরুতেই বিপদে পড়ে। কোনো রান যোগ করার আগেই বিদায় নেন ওপেনার। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে এক সময় বড় সংগ্রহের স্বপ্ন ফিকে হয়ে আসে বাংলাদেশের। তবে একপ্রান্ত আগলে লড়াই চালিয়ে যান সোবহানা মোস্তারি। তার ৪২ রান ও অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির অপরাজিত ৩২ রানের সুবাদে দলীয় স্কোর শতক পেরোয়। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৭ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।
বোলারদের লড়াইয়েও শেষ রক্ষা নেই ১১৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে বাংলাদেশের পেসার মারুফা আক্তারের তোপের মুখে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ইনিংসের শুরুতেই লরা উলভার্টকে সাজঘরে ফেরান তিনি। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট নিয়ে ম্যাচে ভালোভাবেই টিকে ছিল টাইগ্রেসরা। কিন্তু প্রোটিয়া ব্যাটার অ্যানারি ডার্কসেনের ৪৫ রানের সংগ্রামী ইনিংস ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। নাহিদা আক্তার দুই উইকেট শিকার করে চাপ তৈরি করলেও দক্ষিণ আফ্রিকার জয় আটকাতে পারেনি বাংলাদেশ।
ম্যাচ শেষে যা বললেন জ্যোতি অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ম্যাচ শেষে বলেন, “শুরুর উইকেটগুলো দ্রুত হারানো আমাদের জন্য বড় ধাক্কা ছিল। সোবহানা এবং আমি চেষ্টা করেছি পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার, কিন্তু আরও ১৫-২০ রান বেশি হলে আমরা লড়াইটা আরও কঠিন করতে পারতাম।”
এই পরাজয়ে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেল। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা নিজেদের পয়েন্ট তালিকায় গুরুত্ব বাড়াল। আগামী দিনের ম্যাচগুলোর ফলের ওপর ভিত্তি করেই চূড়ান্ত হবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কারা যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন