|
ঢাকা স্টোরি
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

দিলীপ আগরওয়ালাকে দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ

0 শেয়ার
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগরওয়ালাকে দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
  • দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা ১১২ কোটি টাকার সম্পদ ও ৭৫৫ কোটির বেশি লেনদেনের তথ্য তুলে ধরেন।
  • আদালতের এই আদেশের ফলে মামলার তদন্ত কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত হবে।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং বিপুল পরিমাণ অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতি মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালা-কে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২ নভেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির এই নির্দেশ দেন। প্রথম বাক্যেই স্পষ্ট যে, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ কুমার দুদক মামলায় গ্রেপ্তার

এর আগে গত বছরের ৮ অক্টোবর দুদুকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ দিলীপ আগরওয়ালার বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। মামলার পর থেকেই তার আর্থিক অনিয়ম ও অবৈধ লেনদেনের বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছিল দুর্নীতি দমন কমিশন। অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে নানা জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে, যার ভিত্তিতে আদালত তাকে এই মামলায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেন।

দিলীপ আগরওয়ালার বিরুদ্ধে যত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

আদালতে দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, তার বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১১২ কোটি ৪৭ লাখ ২৮ হাজার ৪০৭ টাকার সম্পদ অর্জন ও নিজের দখলে রাখার প্রমাণ রয়েছে। এছাড়া তার বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সন্দেহজনক বিশাল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, দিলীপ কুমার আগরওয়ালা ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত ৩৪টি ব্যাংক হিসাবের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব হিসাবে মোট ৩৮৫ কোটি ৩২ লাখ টাকার বেশি জমা এবং প্রায় ৩৭০ কোটি টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে, যার মাধ্যমে মোট ৭৫৫ কোটি ৩০ লাখ টাকারও বেশি লেনদেন হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে জানিয়েছে দুদক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন ব্যাংক হিসাবগুলোর মাধ্যমে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা এবং এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত অন্যান্যদের আইনের আওতায় আনতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।